ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত। জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় পূববর্তী সভার কার্যবিবরণী তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মনিরা পারভীন।
এ সময় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘পরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রতিটি বিষয়ে আমাদের সতর্ক হতে হবে। এখন আর আগের মতো নকল করার প্রবণতা না থাকলেও ভোকেশনাল ও মাদ্রাসাগুলোতে সাধারণের থেকে অভিযোগ বেশি। সিনসিয়ারলি কাজ করতে হবে। প্রত্যেকে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দেবে, কেউ একরকম সুযোগ পাবে, আরেকজন পাবে না, তা যেন না হয়। প্রশ্নফাঁস রোধে যা যা করণীয় তার সব পদক্ষেপ নিতে আমরা প্রস্তুত। কেন্দ্রের ২ শ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীকে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষা-সংশ্লিষ্টরা কেন্দ্রে যাবেন মোবাইল ছাড়া।’
জেলা প্রশাসনক বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রের কক্ষে কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে হবে। এতে করে একটি ঘরে বসেই কিংবা একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকেই কেন্দ্র পরিদর্শন করা যাবে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার প্রমাণও থাকবে রেকর্ড হয়ে। কেন্দ্র পরিদর্শনকারী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষক কর্তৃক পরীক্ষা কেন্দ্রে অনধিকার চর্চা করতে দেওয়া হবে না। কোনো পরীক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলবেন না তারা।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. কামরুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আজিজুর রহমান।
এ ছাড়া সভায় জেলার প্রতিটি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তুতি সভায় পরীক্ষা কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা, প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ বছর জেলার চার উপজেলার ২০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র ১১টি, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ১টি, এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) ৫টি এবং আলিম পরীক্ষা কেন্দ্র ৩টি। এবার চুয়াডাঙ্গায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী (সাধারণ) ৭ হাজার ৯১৫ জন, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ২৫০ জন, এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) ২ হাজার ১০৩ জন এবং আলিম পরীক্ষার্থী ৩০২ জন। মোট পরীক্ষার্থী ১০ হাজার ৫৭০ জন।
