ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা অফিসার্স ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। সভার শুরুতে বিগত সভার কার্যবিবরণী উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘১৭ মার্চ উপলক্ষে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু এই মুহূর্তের আলোচিত করোনাভাইরাসের কারণে কেন্দ্রীয়ভাবেই নির্দেশনা আছে অনুষ্ঠানসূচি সংক্ষিপ্ত করার। আজকেও আমাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গার কর্মসূচি কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। যেহেতু কর্মসূচি কিছুটা কমেছে, তাই জেলাব্যাপী আলোকসজ্জ্বার ওপর ব্যাপক গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারি-বেসরকারি থেকে শুরু করে ব্যক্তিপর্যায়েও আলোকসজ্জ্বা করলে ভালো হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হবে। তারপর বঙ্গবন্ধুর মূর্যালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। যেহেতু বড় ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে, তাই স্টেডিয়াম মাঠে যে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি সংক্ষেপিত করে ডিসি সাহিত্যমঞ্চে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। এখানেই কেক কাটা ও আলোচনা সভা করা হবে। একই সঙ্গে নির্দেশনা আছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে আলোচনা সভা করতে হবে। সরকারি এতিমখানাসহ সব এতিমখানায় ভালো খাবার ও মিষ্টি বিতরণ করতে হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ দোয়া মাহফিল করতে হবে। রাতে সারা দেশে একযোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণ রাত আটটায় আতশবাজী করা হবে।’
জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, ‘মুজিবর্ষে আমাদের সফলভাবে কাজ করতে হবে। চুয়াডাঙ্গায় পরিষ্কার-পরিচ্ছনতার জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে।’
এ সময় চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তারেক, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবির, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু, জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজর রহমানসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড উপস্থাপন ও সমন্বয় করেন।
