ছবির ক্যাপশন:
টিকাদান কর্মসূচির আওতায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষে
সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার পৃথক আয়োজনে এ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২০ উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা সাড়ে তিনটায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে হাম-রুবেলাবিষয়ক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভিলেন্স অ্যান্ড ইম্যুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. নিশাত তাসনিম।
প্রেস কনফারেন্সে সভাপতিত্বের বক্তব্যে সিভিল সার্জন বলেন, হাম-রুবেলা ভাইরাসজনিত দুটি মারাত্মক রোগ। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ দ্রুত ছড়ায়। এই দুটি রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করার জন্য টিকা দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। প্রাথমিকভাবে ২ লাখ ২১ হাজার ৬২২ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে বলে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় তিনি আরও জানান, হাম রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ক্যাচআপ এবং ২০১০ সালে ফলোআপ ক্যাম্পেইন করার ফলে হামের প্রভাব বহুলাংশে কমে গিয়েছিল। ২০১২ সাল থেকে রুবেলা নিয়ন্ত্রণে হামের টিকার সঙ্গে রুবেলা টিকা সংযোজন করে এমআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে হাম-রুবেলা দূরীকরণে এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। কিন্তু পরাগ নিরীক্ষণ তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সাল থেকে দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮ মার্চ থেকে আবার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় ডা. নিশাত তাসনিম বলেন, ৯ মাস বয়সী থেকে শুরু করে ১০ বছরের নিচের প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে এমআর টিকা দেওয়া হবে। এসব শিশুকে ১ ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে। এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হাম-রুবেলা রোগের বিস্তার দ্রুত হ্রাস করা। ক্যাম্পেইনটি দুই ভাগে পরিচালিত হবে। প্রথম পর্যায়ে ১৮ থেকে ২৪ মার্চ চুয়াডাঙ্গায় ২ লাখ ২৯ হাজার ৮২১ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে এবং ২৮ থেকে ১১ এপ্রিল ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলার মোট ১২ লক্ষ ৮৫ হাজার ৫ শ ৯০ জন শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে। ক্যাম্পেইন শুরুর দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ টিকা প্রদান করা হবে। এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থেকে ২ বছর বয়সের নিচের সব বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে এমআর টিকা নিশ্চিত করা।
প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ড. আওলিয়ার রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাজীব হাসান কচিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।
মেহেরপুর:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় মেহেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে মেহেরপুর সিভিল সার্জনের সম্মেলনকক্ষে এ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন হু-এর সার্ভিলেন্স অ্যান্ড ইমিউনিনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. লী শান্তা মণ্ডল।
সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, হাম-রুবেলার মতো সব ক্যাম্পেইন সফল করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের গুরত্ব অনেক। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও জানান, জেলার ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী ১ লাখ ২২ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৫ হাজার ১২১, গাংনী উপজেলায় ৫৮ হাজার ১৯১ জন, মুজিবনগর উপজেলায় ১৬ হাজার ৫৭৯ জন এবং দুটি পৌরসভায় ১২ হাজার ২৭৮ জন শিশু রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দীন জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৮ মার্চ হতে ২৪ মার্চ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও ২৮ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রসমূহে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি। কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন আরও জানান, জেলার তিন উপজেলা ও মেহেরপুর পৌরসভার ৬৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ৬৮৭টি অস্থায়ী কেন্দ্রে এ টিকাদান কার্যক্রম চলবে। এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল হারুন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রেস কনফারেন্সে মেহেরপুর জেলার ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন প্রেস কন্ফারেন্স সঞ্চালনা করেন ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুস সালাম।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় মেহেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে মেহেরপুর সিভিল সার্জনের সম্মেলনকক্ষে এ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন হু-এর সার্ভিলেন্স অ্যান্ড ইমিউনিনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. লী শান্তা মণ্ডল।
সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, হাম-রুবেলার মতো সব ক্যাম্পেইন সফল করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের গুরত্ব অনেক। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও জানান, জেলার ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী ১ লাখ ২২ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৫ হাজার ১২১, গাংনী উপজেলায় ৫৮ হাজার ১৯১ জন, মুজিবনগর উপজেলায় ১৬ হাজার ৫৭৯ জন এবং দুটি পৌরসভায় ১২ হাজার ২৭৮ জন শিশু রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দীন জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৮ মার্চ হতে ২৪ মার্চ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও ২৮ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রসমূহে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি। কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন আরও জানান, জেলার তিন উপজেলা ও মেহেরপুর পৌরসভার ৬৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ৬৮৭টি অস্থায়ী কেন্দ্রে এ টিকাদান কার্যক্রম চলবে। এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল হারুন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রেস কনফারেন্সে মেহেরপুর জেলার ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন প্রেস কন্ফারেন্স সঞ্চালনা করেন ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুস সালাম।
