ঘরের সুবিধাভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি

আপলোড তারিখঃ 2020-03-09 ইং
ঘরের সুবিধাভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি ছবির ক্যাপশন:
সরকারি ঘর বরাদ্দে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক, হাসাদাহ: জীবননগর উপজেলায় দুর্যোগসহনীয় সরকারি ঘর বরাদ্দ দেওয়া ও ঘর তৈরিতে অর্থ-বাণিজ্যের অভিযোগে একটি খবর পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় ঘরের সুবিধাভোগী হাসাদহ গ্রামের সোহরাব হোসেন ও তাঁর দিনমজুর ছেলে রাজুকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শ্যামলের বিরুদ্ধে। ঘর বরাদ্দ ও তৈরি বাবদ সোহরাব হোসেনের নিকট থেকে বিভিন্ন সময় অর্থ নেওয়া হলে তাঁর ছেলে দিনমজুর রাজু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শ্যামলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হলে ইউপি সদস্য শ্যামল তাঁর লোকজন দিয়ে সোহরাব হোসেন এবং তাঁর ছেলে রাজুকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন দেন বলে অভিযোগ করেছেন সোহরাব হোসেন ও রাজু। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে বলে জানা গেছে। ঘরের সুবিধাভোগী দিনমজুর হাসাদহ গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে রাজু অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল বিশ^াস আমাকে ঘর দেওয়ার জন্য মিষ্টি খরচ বাবদ ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। আমি তার কথা মতো শ্যামল মেম্বারের নিকট ঘরের জন্য প্রথমে ২০ হাজার ও পরে ১২ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। টাকা নিয়ে ঘর দিলেও ঘর নির্মাণকাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। যে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে, তা এক মাসের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাবে এবং ঘরের জন্য বালি, ইট, মাটি এমন কি মিস্ত্রিদের সমস্ত খরচ আমি বহন করেছি। নিয়মানুযায়ী ঘর নির্মাণ না করায় আমি জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এ খবর বিভিন্ন পত্রিকার প্রকাশ হওয়ায় ইউপি মেম্বার শ্যামল তাঁর লোকজন দিয়ে আমাদেরকে প্রাশনাশের হুমকি প্রদান করছে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে দিন পাড় করছি।’ এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ঘরের সুবিধাভোগী দিনমজুর হাসাদহ গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে রাজু। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল বিশ^াসের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি মিথ্যা অভিযোগ। আমি কারও ঘর দেওয়ার নাম করে টাকা গ্রহণ করিনি। আমাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা একটি অভিযোগ। এ বিষয়টি আমি জানি না।’ এ বিষয়ে ইউপি মেম্বার শ্যামলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে করেন এবং এ অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন। জীবননগর ত্রাণ অধিদপ্তরের ফিল্ড কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, ‘আমাদের একটি ঘরের জন্য সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬০ টাকা। আর ঘর নির্মাণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত খরচ এর মধ্যেই। এখানে ঘরের সুবিধাভোগীদের কোনো খরচ নেই।’ উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘আমার কাছে একটা লিখিত অভিযোগ এসেছে। আমি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ উল্লেখ্য, গতকাল রোববার এ ঘটনায় দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকায় ‘জীবননগরে সরকারি ঘর বরাদ্দে টাকা নেওয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)