নিয়মিত পাচ্ছেন বেতন-বোনাস

আপলোড তারিখঃ 2020-03-05 ইং
নিয়মিত পাচ্ছেন বেতন-বোনাস ছবির ক্যাপশন:
বছরের পর বছর কর্মস্থলে না এসেও তিনি শিক্ষক ঝিনাইদহ অফিস: ১১ বছর ধরে সুমাইয়া খানম নামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক মেডিকেল সনদ দেখিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এই শিক্ষক স্বামী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। কর্মস্থলে না এসেও তিনি প্রতিমাসেই বেতন তুলে নিচ্ছেন। ১১ বছর ধরে কীভাবে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়ে ছুটি ভোগ করে আসছেন, এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ২৩ নম্বর কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। চাকরি জীবনের বেশিরভাগ সময়ই শিক্ষক সুমাইয়া খানম মেডিকেল সার্টিফিকেট জোগাড় করে কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চাকরি করে যাচ্ছেন। শিক্ষক সুমাইয়া খানম চাকরি বিধি অনুযায়ী সিভিল সার্জন অফিস থেকে শারীরিক অক্ষমতার সার্টিফিকেট নিয়ে অবসরে যাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে কৈফিয়ত তলব এবং বিভাগীয় মামলা কোনো কিছুই আটকিয়ে রাখতে পারেনি শিক্ষিকা সুমাইয়া খানমকে। বরং ওপর মহলকে খুশি করে চাকরি টিকিয়ে রেখেছেন তিনি। সর্বশেষ গত বছরের ঈদুল আজহার আগে মেডিকেল ছুটি শেষ হলেই যোগদান করে ঈদের বোনাস নিয়ে আবার চম্পট দেন ঢাকায়। শিক্ষক সুমাইয়া খানম শৈলকুপার রতিডাঙ্গা গ্রামের আবুল কালাম আজাদের কন্যা। তাঁর স্বামী ঢাকায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকে কর্মরত আছেন। জানা গেছে, সুমাইয়া খানম ২০০১ সালের ২৯ মার্চ কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন আক্তার জানান, তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২০০৯ সালে এই স্কুলে যোগদান করার পর থেকেই দেখে আসছেন সুমাইয়া খানমের মেডিকেল সার্টিফিকেটের কেরামতি। তিনি স্কুলে না আসলেও শিক্ষক হিসেবে তাঁর পদ থাকায় সেখানে আর কেউ যোগদান করতে পারছের না। কর্মস্থলে না আসলেও ২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের খুলনা বিভাগীয় উপসহকারী পরিচালক এ কে এম গোলাম মোস্তফা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে দেখা যায়, সুমাইয়া খানমের সবকিছু সঠিক পন্থায় হওয়ায় তাঁকে পাওনাদি প্রদানের সুপারিশ করেন। ২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর তিনি আবার বিনা বেতনে চিকিৎসা ছুটির আবেদন করেন এবং ২০১৮ সালে ঢাকা থেকে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানের আবেদন জানান। চাকরিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির বিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন জানান, সুমাইয়া খাতুন দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তাঁকে বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে। কর্মস্থলে অনুপস্থিত নিয়ে শিক্ষক সুমাইয়া খানমের সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তবে অনুপস্থিতির ব্যাপারে কারো কাছে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নয়।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)