ছবির ক্যাপশন:
প্রতিবেদক, আন্দুলবাড়ীয়া:
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার সব কটি সড়ক-মহাসড়ক ও গ্রামীণ সড়ক দিয়ে ইটভাটার কাজে নিয়মিত ব্যবহারের জন্য কাদা-মাটি ও বালু আনা-নেওয়া করা হয়। ফলে এসব কাদা-মাটি রাস্তার ওপর পড়ে বা জমে রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যার ফলে সৃষ্টি হয়েছে জনদুর্ভোগ, প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশনে সামনের রাস্তা, পারঘাটা-যদুপুর হতে আন্দুলবাড়ীয়া সড়ক, আন্দুলবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন হতে দেহাটি সড়ক, আন্দুলবাড়ীয়া হতে হারদা চানপুর সড়ক, নিধিকুণ্ডু হতে কর্চাডাঙ্গা সড়ক, সন্তোষপুর হতে আন্দুলবাড়ীয়া সড়ক, খয়েরহুদা, কাশীপুর, দেহাটি, আন্দুলবাড়ীয়া সড়ক, শাহাপুর সড়ক, সরোজগঞ্জ হতে সড়াবাড়ীয়া, বাজদিয়া হতে আন্দুলবাড়ীয়া সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কাদা-মাটি ও বালুভর্তি ট্রাক, ট্রাক্টর, পাওয়ার ট্রিলার ও পিকাপ যাতায়াত করে। এসব রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ পথচারীরা। মাটি রাস্তার ওপর পড়ার ফলে যাতায়াতে সীমাহীন কষ্ট হন জনসাধারণের। আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মোটরসাইকেলচালক শেখ মহিদুল ইসলাম মধু জিহাদী বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে আমাদের প্রতিদিন যাতায়াত করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা মোটরসাইকেলচালক বাকের আলী বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমি অল্পের জন্য সড়ক দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছি।’
চা দোকানি ও বাইসাইকেলচালক আব্দুর রহিম বলেন, ‘চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে আমাদের।’ সন্তোষপুর মিশুক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও মিশুক চালক আনারুল ইসলাম বলেন, ‘ইটভাটার মাটি রাস্তায় পড়ায় গাড়ি চালাতে যেয়ে আমাদের নানামুখী সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।’
আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের স্কুলপড়ুয়া ছাত্রী মিথিলা বলে, ‘রাস্তার ওপর জমে থাকা কাদা-পানির ওপর দিয়ে গাড়ি চলচল করায় কাদা-পানি ছিটকিয়ে এসে আমাদের স্কুলড্রেসে পড়ে। এর ফলে আমরা খুব বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি।’
এলাকাবাসী জানান, ইটভাটার মাটি সড়কে পড়ায় রাস্তায় মাটি জমে থাকে। আর সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাদা জমে রাস্তাগুলো হয়ে ওঠে বিপজ্জনক। জনদুর্ভোগ লাঘবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পথচারী ও সচেতন এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
