নিরপেক্ষ নির্বাচনে বাধা আমলা!

আপলোড তারিখঃ 2020-01-04 ইং
নিরপেক্ষ নির্বাচনে বাধা আমলা! ছবির ক্যাপশন:
দুই সিটিতে ফেয়ার নির্বাচন চায় আওয়ামী লীগ সমীকরণ প্রতিবেদন: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণের ভোটের অধিকার প্রয়োগ এবং দলের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চায় আওয়ামী লীগ। দলটির নীতি নির্ধারকরা মনে করছেন কৌশলে দলীয় প্রার্থী বিজয়ী হলে জনগণের প্রকৃত মনোভাব বোঝা যায় না। যেহেতু সিটি নির্বাচন সরকারে প্রভাব ফেলবে না তাই এই নির্বাচনে জনমত যাচাই করা যেতে পারে। কিন্তু প্রশাসন যন্ত্র চায় না নিরপেক্ষ ভোট। তাদের শঙ্কা নিরপেক্ষ ভোট হলে তাদের বিপদের মুখে পড়তে হতে পারে। এ প্রসঙ্গে গত ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেরে গেলে সরকারের ওপর আকাশ ভেঙে পড়বে না। বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমরা বিএনপিকে স্বাগত জানাই। নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হোক। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশের এমন উন্নয়নের কারণেই জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। যতই ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। আমাদের দল সব সময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সে কারণে জনগণ যাতে ভোট দিতে পাবে সেটা করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং এরপর খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়; সেই বিতর্ক দূর করতেই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। আর জনগণর যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেটি করতে চায় আওয়ামী লীগ। তাদের সরকারি দলের প্রধান বাধা আমলা নির্ভর প্রশাসন। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য সিটি নির্বাচন করতে চান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিএনপির মেয়র প্রার্থীও জয়ী হন তাকে স্বাগত জানাবেন সরকারি দল। বিএনপি টেস্ট কেস হিসেবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। ২০১৪ সালের পরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্ব, ডাকাতি, রেজাল্ট ছিনতাই করে একটি দলের পক্ষে যে কাজ করছে সেটি জনগণের কাছে বারবার তুলে ধরতেই নির্বাচনে যাওয়া। সরকারি দলের নেতা কর্মীদের চেয়ে পুলিশ প্রশাসন এবং কমিশনের কর্মকর্তারা সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না। সরকার ও সরকারি দল তাদের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকার এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। সরকার ও ইসির সেই রূপ জনগণের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পুলিশ ভয়ভীতি দেখাচ্ছে তা আমার জানা নেই। যাদের নামে ওয়ারেন্ট আছে তাদের গ্রেফতার করবেন। এর বাহিরে কিছু করছে আমার মনে হয় না। তার পর নির্বাচন এখনো শুরু হয়নি। অন্যায়ভাবে কাউকে হয়নারি করা হলে সেই কর্মকর্তার কিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সম্প্রতি বিতকির্ত নির্বাচনের কারণে নির্বাচন পরিচালনা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষ অনাস্থা প্রকাশ করেছে। আমাদের দেশে উন্নয়ন হচ্ছে নিঃসন্দেহে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাবে কি না এ নির্বাচনে দেখা যাবে। আমার মনে হয় সরকারকে এ বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)