ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা চাঁদমারী মাঠে প্রথম ও পাঁচকমলাপুর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা মুক্তিপাড়ার মরহুম শামসুজ্জোহা বিশ্বাসের স্ত্রী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহিদুজ্জামান টরিক, আরিফুজ্জামান আরিফ ও রাজনীতিক শরীফুজ্জামান শরীফের মা সাহিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা দুইটায় চুয়াডাঙ্গা ভি জে সরকারি উচ্চবিদ্যালয় (চাঁদমারী মাঠ) মাঠে প্রথম জানাজা ও আলমডাঙ্গার পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে সেখানেই মরহুমার দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়।
সাহিদা বেগম গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ কক্ষে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর তাঁর মরদেহ নেওয়া হয় মুক্তিপাড়ার বাসভবনে। শেষবারের মতো একনজর দেখতে ছুটে আসেন নিকটজন, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খীসহ অনেকেই।
শনিবার বেলা দেড়টার দিকে মরহুমার মরদেহ নেওয়া হয় চুয়াডাঙ্গা ভি জে সরকারি উচ্চবিদ্যালয় (চাঁদমারী মাঠ) মাঠে। সেখানে উপস্থিত হাজারো মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। এরপর বেলা দুইটায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, পেশাজীবী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ। জানাজা শেষে আলমডাঙ্গার পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয় সাহিদা বেগমের মরদেহ।
বেলা তিনটা নাগাদ তাঁর মরদেহ পৌঁছায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ছুটে আসেন এলাকার নারীরা। যাঁদের সঙ্গে তিনি জীবনের দীর্ঘ সময় পার করেছেন। এ সময় তাঁদের কান্নায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটা পাঁচকমলাপুর এলাকা। মাদ্রাসা ছাত্রদের মুখে কান্নার স্বরে ভেসে আসছিল ‘হারিয়ে ফেললাম আমাদের স্নেহ, ভালোবাসার অন্যতম ঠিকানা’।
বিকেল চারটায় মাদ্রাসা মসজিদে আসরের নামাজ শেষে পাশ্ববর্তী মাঠে নেওয়া হয় তাঁর মরদেহ। সেখানে দ্বিতীয় দফায় অনুষ্ঠিত হয় জানাজা। গ্রামের সর্বস্তরের মানুষসহ আশপাশ এলাকার কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন এই জানাজায়। এর আগে মায়ের স্মৃতি রোমন্থন ও ভুলক্রটি তুলে ধরে সবার কাছে ক্ষমা ও দোয়া চেয়ে বক্তব্য দেন মরহুমার মেজো ছেলে, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহিদুজ্জামান টরিক ও ছোট ছেলে রাজনীতিক শরীফুজ্জামান শরীফ। মায়ের জানাজায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে গিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন তাঁরা। পরে মরহুমার মরদেহ আবারো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। মাদ্রাসা মসজিদের পাশে স্বামী শামসুজ্জোহা বিশ্বাসের পাশে দাফন করা হয় সাহিদা বেগমকে। দাফনকার্য শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন সাহিদুজ্জামান টরিক।
বেলা তিনটা নাগাদ তাঁর মরদেহ পৌঁছায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ছুটে আসেন এলাকার নারীরা। যাঁদের সঙ্গে তিনি জীবনের দীর্ঘ সময় পার করেছেন। এ সময় তাঁদের কান্নায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটা পাঁচকমলাপুর এলাকা। মাদ্রাসা ছাত্রদের মুখে কান্নার স্বরে ভেসে আসছিল ‘হারিয়ে ফেললাম আমাদের স্নেহ, ভালোবাসার অন্যতম ঠিকানা’।
বিকেল চারটায় মাদ্রাসা মসজিদে আসরের নামাজ শেষে পাশ্ববর্তী মাঠে নেওয়া হয় তাঁর মরদেহ। সেখানে দ্বিতীয় দফায় অনুষ্ঠিত হয় জানাজা। গ্রামের সর্বস্তরের মানুষসহ আশপাশ এলাকার কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন এই জানাজায়। এর আগে মায়ের স্মৃতি রোমন্থন ও ভুলক্রটি তুলে ধরে সবার কাছে ক্ষমা ও দোয়া চেয়ে বক্তব্য দেন মরহুমার মেজো ছেলে, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহিদুজ্জামান টরিক ও ছোট ছেলে রাজনীতিক শরীফুজ্জামান শরীফ। মায়ের জানাজায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে গিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন তাঁরা। পরে মরহুমার মরদেহ আবারো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। মাদ্রাসা মসজিদের পাশে স্বামী শামসুজ্জোহা বিশ্বাসের পাশে দাফন করা হয় সাহিদা বেগমকে। দাফনকার্য শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন সাহিদুজ্জামান টরিক।
