ডাকসু ভবনে হামলার ফুটেজ গায়েব

আপলোড তারিখঃ 2019-12-26 ইং
ডাকসু ভবনে হামলার ফুটেজ গায়েব ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে হামলার সময়ের ভিডিও ফুটেজ গায়েব হওয়ার পেছনে প্রক্টরের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। একই সঙ্গে দায়িত্বে নিষ্ক্রিয়তার উল্লেখ করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও তাঁর অনুসারীরা এই হামলার জন্য দুষছেন ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে। তারা বলছেন, ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের প্রত্যক্ষ মদদে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে ছাত্রলীগের অনুসারীদের দাবি, নুরের সঙ্গে থাকা বহিরাগতরা হামলার জন্য উসকানি দেয়। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী হামলায় অংশ নেন। হামলায় আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানাতে গতকাল বুধবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এ সময় পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিসিটিভি ফুটেজের জন্য পুলিশের সহায়তা চাচ্ছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের মদদেই এই ফুটেজ সরানো হয়েছে। তিনি এই ফুটেজ সরানোর ঘটনায় জড়িত। হামলার সময় ফোন করে অবরুদ্ধ অবস্থার বিষয়ে জানানো হলেও তিনি আসেননি। দায়িত্বে নিষ্ক্রিয়তা ও ফুটেজ সরানোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায় আমরা প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করছি।’ রাশেদ খান বলেন, ‘সঞ্জিত ও সাদ্দামের নেতৃত্বেই যে হামলা করা হয়েছে তা একটি ভিডিও ক্লিপে স্পষ্ট। কিন্তু এখনো তাদের আইনের আওতায় আনা হয়নি। অনতিবিলম্বে হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রত্যেককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করতে হবে।’ প্রক্টর গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘হামলার বিষয়ে ওরা একে অপরকে দোষারোপ করছে। আর ভিডিও ফুটেজ কে বা কারা নিয়ে গেছে। বিষয়টি তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে। ফুটেজ উদ্ধারে গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রযুক্তিবিদদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন চায় জড়িতদের বিচার হোক।’ গতকাল রাজধানীর শেরে বাংলা বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে হামলার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রকৃত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ভিডিও ফুটেজ আসুক, খতিয়ে দেখা হবে।’ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডাকসুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ খোঁজা হচ্ছে।’ বনানীর হলি স্পিড ক্যাথেড্রাল চার্চ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন গতকাল জানান, ভিপি নুরুল হক নুরের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি কথা বলছেন, হাঁটছেন। নুরসহ অন্যদের শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে গুরুতর আহত এ পি এম সুহেল এখনো হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)