গাংনী অফিস:
সৎ পিতার ধর্ষণের শিকার ছয় বছর বয়সী এক শিশু। মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগে গত রোববার দুপুরে নিজ বাড়িতে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন শিশুটির পিতা। এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক পুলিশের অভিযানে সৎ পিতা ধানখোলা গ্রামের ইসলামের ছেলে আবু তাহের আটক হয়েছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন চিকিৎসক। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. শায়লা আহম্মেদ। ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা গ্রামে।
শিশুটির মা জানান, গত রোববার দুপুরে তিনি পাশের বাড়িতে খড়ি আনতে গিয়েছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামী নিজ ঘরে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে তিনি দৌঁড়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁকে দেখে পালিয়ে যান তাঁর স্বামী আবু তাহের। শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আচড়ের দাগসহ ধর্ষণের অন্য আলামত দেখতে পান তিনি। তিনি বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে তালাক হলে তিনি কয়েক বছর আগে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্বামী তাহেরের সঙ্গে সংসার পাতেন।
গাংনী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শায়লা আহম্মেদ বলেন, শিশুটির গোপনাঙ্গে রক্তক্ষরণের আলামত রয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর তাহেরকে আটক করা হয়েছে। মামলা নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
