কালীগঞ্জ থানার সাবেক ওসি ইউনুচের বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি

আপলোড তারিখঃ 2019-11-25 ইং
কালীগঞ্জ থানার সাবেক ওসি ইউনুচের বিরুদ্ধে তদন্তে সিআইডি ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইউনুচ আলীর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তলব করা হয়েছে ৭৫ জন সাক্ষীকে। ইতিমধ্যে সাক্ষীরা যশোর সিআইডি অফিসে গিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। ওসি ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার বাণিজ্য, জিডি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও নিরীহ মানুষদের আটক করে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়াসহ ৪৫টি অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৮ অক্টোবর তাঁকে হঠাৎ করেই খুলনা পুলিশ লাইনসের আরআরএফে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, সাবেক এ ওসির বিরুদ্ধে পুলিশের বিভিন্ন বিভাগে অভিযোগ দিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী। তাঁর বিরুদ্ধে ৪৫টি অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে। ৭৫ জন সাক্ষীকে যশোর সিআইডি অফিসে পর্যায়ক্রমে ডাকা হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালীগঞ্জ থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ‘কালীগঞ্জ থানার সাবেক ওসি ইউনুচ আলীর বিরুদ্ধে ৪৫টি অভিযোগ ওঠার কারণে আমিও একটি ঘটনার স্বাক্ষী দিয়েছি যশোর সিআইডি অফিসে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সাবেক এই ওসির আটক বাণিজ্যের বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, থানার হাজতি রেজিস্ট্রারে আটক ব্যক্তিদের নাম লিপিবব্ধ করা থাকে। যাঁরা টাকা দিয়ে ছাড়া পান, তাঁদের নাম কেটে দেওয়া হয়। গত জুলাই মাসের হাজতি রেজিস্ট্রারের বিভিন্ন তারিখের ৬টি পাতা পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, সেখানে ২৮ জনের নাম লেখা আছে। এর মধ্যে ১২ জনকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেন ওসি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘গত অক্টোবর মাসে মারামারির ঘটনায় আমাদের তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় তিন দিন থানার হাজতেই আটকে রেখে ১২ হাজার টাকা দিয়ে আমরা ছাড়া পায়।’ কালীগঞ্জ থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদনকারী মো. শান্তি বলেন, ‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে আবেদন করলে থানার ওসি আমার কাছ থেকে সাত হাজার টাকা নেন। তবে কালীগঞ্জ থানার সাবেক ওসি মো. ইউনুচ আলী তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে আমি কোনো টাকা গ্রহণ করিনি।’ যুগান্তরের ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ প্রতিনিধি অভিযোগ করেন, ‘গত সংসদ নির্বাচনের সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা নেন ওসি ইউনুস আলী। তিনি মামলা রেকর্ডের সময় নাম কেটে দেওয়া হবে বলে জানান। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি মোটা অংকের টাকা দাবি করেন।’ ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ^াস বলেন, সাবেক ওসি ইউনুচ আলীর বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। পুলিশের অন্য দপ্তরে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ যেতে পারে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)