ঘুষের ঝুঁকি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

আপলোড তারিখঃ 2019-11-15 ইং
ঘুষের ঝুঁকি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন: দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ঘুষের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ঘুষবিরোধী আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী সংগঠন ট্রেস ইন্টারন্যাশনাল ঘুষের ঝুঁকি বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এমনটা বলেছে। ‘ট্রেস ব্রাইবারি রিস্ক ম্যাট্রিক্স’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের সূচকে বাংলাদেশে ঘুষের ‘রিস্ক স্কোর’ এসেছে ৭২। গত বছরের তুলনায় তা দুই পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অর্থ হল- এ দেশে ঘুষের ঝুঁকি আগের চেয়ে বেড়েছে। ট্রেস জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ঘুষের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। সংগঠনটির ২০১৯ সালের সূচকে ১৭৮তম হয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত হয়েছে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে ৭৮তম ও পাকিস্তান ৬২ পয়েন্ট নিয়ে ১৫৩তম। প্রতিবেদনে ট্রেস জানিয়েছে, চারটি ক্ষেত্রে ভালো-মন্দ বিচারে ১ থেকে ১০০-এর মধ্যে স্কোর দেয়া হয়েছে। ঘুষের ঝুঁকি পরিমাপের এ সূচকে ২০০টি দেশের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। যে দেশের স্কোর যত বেশি সে দেশে ব্যবসায় তত বেশি ঘুষের ঝুঁকি রয়েছে। সূচক অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে কম ঘুষের ঝুঁকি রয়েছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিসম্পন্ন দেশগুলো হচ্ছে যথাক্রমে- ভেনিজুয়েলা, ইয়েমেন, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়া। কোনো খাতের প্রাপ্য স্কোর ভালো না খারাপ তা বিবেচনা করা হয় ওই খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিচারে। সরকারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের বিচারে বাংলাদেশকে ৮৬ স্কোর দেয়া হয়েছে। কেননা, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সক্রিয়তা থাকায় ঘুষ গ্রহণের আকাঙ্ক্ষাও উচ্চ থাকে। বাড়ে নিয়ন্ত্রক ঝুঁকিও। ঘুষবিরোধী প্রতিরোধক ও প্রয়োগের বিচারে বাংলাদেশ পেয়েছে ৬৩ স্কোর। দেশে ঘুষ গ্রহণ দমনে পর্যাপ্ত পদক্ষেপের অভাব ও ঘুষবিরোধী আইনের প্রয়োগ স্বল্পতার কারণে এ স্কোর দেয়া হয়েছে। সরকারি ও নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতার বিচারে বাংলাদেশকে ৬০ স্কোর দেয়া হয়েছে। এছাড়া, নাগরিক সমাজের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার বিচারে বাংলাদেশ পেয়েছে ৬৪। দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মান নিু পর্যায়ে হওয়ায় এবং নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ কম হওয়ায় এ স্কোর দেয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য ক্ষেত্রে ঘুষের ঝুঁকির বিষয়ে ব্যবসায়ী মহলে আরও বেশি নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রয়োজন মেটাতে ২০১৪ সালে প্রথম এ সূচক প্রকাশ করা হয়। কোনো বিশেষ দেশে কোম্পানির কাছে ঘুষ চাওয়া হবে কিনা বা ঘুষের সম্মুখীন হতে হবে কিনা তার পরিমাপ করে এ সূচক। বিনামূল্যে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এ সূচক বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ঘুষের প্রসার ঘটায় এমন কতগুলো পরিস্থিতি বুঝতে কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করে। এগুলো হল- বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগের ধরন ও বিস্তৃতি; ঘুষের প্রতি সামাজিক মনোভাব ও তা নিষিদ্ধে সরকারের ক্ষমতা; সরকারের স্বচ্ছতা এবং দুর্নীতি পর্যবেক্ষণ ও প্রকাশে সুশীল সমাজের সক্ষমতা।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)