ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণ সভায় এসপি জাহিদুল ইসলাম
শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে আবু জিহাদ খানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাত কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ লাইনস মাঠে মাস্টার প্যারেডে সালাম গ্রহণ করেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। এরপর মাসিক কল্যাণ সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি। এতে পুলিশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল সদস্যদের কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।
এবারের কল্যাণ সভায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন। এ ছাড়াও শ্রেষ্ঠ উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে জীবননগর থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম, সদর ফাঁড়ির এসআই ওহিদুল ইসলাম ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই আবু বক্কর সিদ্দীক, শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট সদর ট্রাফিক (শহর ও যানবাহন শাখা) সার্জেন্ট তৌহিদ মুসাব্বির, শ্রেষ্ঠ সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে দামুড়হুদা মডেল থানার এএসআই (আইজি ব্যাচ প্রাপ্ত) মহিউদ্দিন ও বেগমপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই আশরাফুজ্জামান পুরস্কৃত হয়েছেন।
পুলিশ সুপার (এসপি) জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে পুলিশ লাইনস ড্রিল শেডে জেলার পুলিশ সদস্যদের সার্বিক উন্নতিকল্পে এ মাসিক কল্যাণ সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল বাশার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেলসহ জেলা পুলিশের সব ইউনিটের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু এ কথা পুঁথিতে নয়, কাজেই প্রমাণ করতে হবে। ভালো কাজে পুরস্কার, খারাপ কাজে তিরস্কার-এ মর্মবাণী পুলিশের প্রতিটি কার্যক্রমে বহাল থাকবে। পুলিশ ক্ষমতার বলে কাউকে কোনো প্রকার হয়রানি যেন না করে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে এবং প্রমাণিত হলেই তাঁকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
