‘বুলবুল’ গেছে, আসছে ‘পবন’!

আপলোড তারিখঃ 2019-11-13 ইং
‘বুলবুল’ গেছে, আসছে ‘পবন’! ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন: অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ভয়াল তা-ব চালিয়ে প্রস্থান করলেও পুরোপুরি শান্ত হচ্ছে না বঙ্গোপসাগর। দুঃসংবাদ দিচ্ছেন আবহাওয়া পর্যবেক্ষকরা। এবার নতুন করে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পবন’। নাসা এবং এসিসিইউ ওয়েদার জানাচ্ছে, বর্তমানে দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণিঝড়। যার স্থানীয় নাম ‘নাকরি’। যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ধীরে ধীরে এটি ভিয়েতনাম উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভিয়েতনাম হয়ে মিয়ানমার পেরিয়ে বঙ্গোপসাগরে চলে আসতে পারে। সেখান থেকে বাংলাদেশ হয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় তা-ব চালাতে পারে। বঙ্গোপসাগরে ‘নাকরি’ পৌঁছালে এর নাম হবে ‘পবন’। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম আবহাওয়াবিদদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলছে, ওয়ার্ল্ড মিটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশনের তালিকায় পরবর্তী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছে ‘পবন’। এ নামটি শ্রীলঙ্কার দেওয়া। তার পরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘আমফান’। এটি থাইল্যান্ডের দেওয়া নাম। তবে ‘নাকরি’ বা ‘পবন’ কবে নাগাদ বঙ্গোপসাগরে এসে পৌঁছবে তা আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করে জানাতে পারছেন না। আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান বলেন, ঘূর্ণিঝড় দুর্বল হয়ে বিদায় নেওয়ার পর সাগর কিছুটা শান্ত। এখন দেখতে হবে সাগরের শান্ত ভাব কত দিন থাকে। কারণ সূর্য এখনো খাঁড়াভাবে বঙ্গোপসাগরে কিরণ দিচ্ছে। এই কিরণ থেকে সৃষ্টি হয় লঘুচাপ, তারপর নি¤œচাপ এবং অবশেষে ঘূর্ণিঝড়। আর ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের উত্তরাংশ থেকে নি¤œচাপ সৃষ্টির প্রবণতা থেকে যায়।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)