জনপ্রতিনিধিসহ এক কাতারে আ.লীগ-বিএনপি

আপলোড তারিখঃ 2019-11-05 ইং
জনপ্রতিনিধিসহ এক কাতারে আ.লীগ-বিএনপি ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা থানার অধীনে থাকব না শ্লোগানে চার ইউনিয়নে চলছে গণস্বাক্ষর প্রতিবেদক, হিজলগাড়ি: চুয়াডাঙ্গা জেলায় সদ্য ঘোষিত দর্শনা থানার মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার বৃহত্তম চারটি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে ও দর্শনা থানার অধীনে থাকব না ‘সদরের মানুষ সদরেই থাকতে চাই’ স্লোগানে দলমত-নির্বিশেষে এক হচ্ছে সদরের চারটি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ। সর্বদলীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ আন্দোলন কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর চলছে গণস্বাক্ষর কার্যক্রম। এরই মধ্যে সর্বস্তরের মানুষ এ আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। গতকাল সোমবার সদর থানা রক্ষা আন্দোলন কমিটির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা, বিএনপির নেতারা, জনপ্রতিনিধি, বেগমপুর ও তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তিতুদহ এবং গড়াইটুপি ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার চারটি ইউনিয়ন, দামুড়হুদা উপজেলার দুটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নিয়ে গত ২২ অক্টোবর দর্শনা থানা ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদরের চারটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চার ইউনিয়নের নেতৃত্বে ইউনিয়নবাসীরা নিজেরা একাধিকবার মতবিনিময় করে ৩ নভেম্বর হিজলগাড়ী বাজারে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ সভা করে ‘সদর থানা রক্ষা আন্দোলন’ নামে একটি সর্বদলীয় কমিটি গঠন করেন। গতকাল এ কমিটির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন জোয়ার্দ্দার ও তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন। একই দিনে সদর থানা রক্ষা আন্দোলন কমিটির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান টিপু ও তিতুদহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হোসেন। সদর থানা রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান কাজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বেগমপুর, তিতুদহ এবং নবগঠিত নেহালপুর ও গড়াইটুপি ইউনিয়ন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অংশ। আমরা এ চার ইউনিয়নের মানুষ সদর থানার মধ্যেই থাকতে চাই। কারণ, আমাদের উপজেলা চুয়াডাঙ্গা সদর, থানাও চুয়াডাঙ্গা সদর, জেলাও এক। আমরা যেকোনো কাজ খুব সহজেই করতে পারি। সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছি। দর্শনা থানার মধ্যে আমাদের নেওয়ার উদ্দেশ্য হলো আমাদের বিভক্ত করে দেওয়া। এখন আমাদের থানার কাজ করতে যেতে হবে দর্শনাতে আর উপজেলার কাজ করতে হবে চুয়াডাঙ্গা সদরে, জেলার কাজও চুয়াডাঙ্গাতে। এ ক্ষেত্রে আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সদর থানার বাসিন্দা। এটা আমাদের জন্য গৌবরের। আমরা দর্শনা থানার অন্তর্ভুক্ত হতে চাই না।’ এ বিষয়ে সদর থানা রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল হক মাছুম বলেন, ‘আমাদের এ আন্দোলনের সঙ্গে সর্বস্তরের মানুষ একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। যেকোনো মূল্যে আমরা সদরের মানুষ চুয়াডাঙ্গা সদরেই থাকতে চাই। দুই-এক দিনের মধ্যে বৃহত্তম কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)