ছবির ক্যাপশন:
বিশেষ প্রতিবেদক:
বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার প্রথম তিন তারকা হোটেল ‘হোটেল সাহিদ প্যালেস’ পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্টজনেরা। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় হোটেল সাহিদ প্যালেসের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিকের নিমন্ত্রণে হোটেল পরিদর্শনে আসেন তাঁরা। এ সময় হোটেলের রিসিপশনে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় তাঁদের। এরপর হোটেল লবিতে বসে আড্ডায় মাতেন অতিথিরা। আড্ডা-গল্পে কিছু সময় পার করে অতিথিদের পুরো হোটেলটি ঘুরে দেখান সাহিদুজ্জামান টরিক। পরিদর্শনকালে প্রতিটি ফ্লোরের নান্দনিক কার্পেট, সাদা সিলিংয়ের ওপরে হালকা উডেন টেক্সচার, এলইডি সাদা প্যানেল বাতি ও এলইডি ওয়ার্ম কালারের স্ট্রাইপ সবাইকে মোহিত করে। সেই সঙ্গে তিন তারকা মানসম্পন্ন হোটেল রুম, ব্যানকট হল, কনভেনশল হল ও রেস্টুরেন্ট দেখে প্রশংসা করেন অতিথিরা। পরিদর্শন শেষে হোটেলের কনভেনশন হলে অনির্ধারিত এক আড্ডায় বসেন সবাই।
জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সেখ সামসুল আবেদিন খোকন বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গার বুকে তিন তারকা মানের হোটেল সাহিদ প্যালেস আমাদের অহংকারের অংশ। এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ধাপ আমাদের শৌখিনতা ও আভিজাত্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে হোটেলটির যাত্রা শুরু হয়েছে, এর সঙ্গে আমাদের জনপ্রতিনিধিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।’
মফস্বল শহরে তিন তারকা মানের হোটেল এ অঞ্চলের পর্যটন, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘যেকোনো কাজে কিংবা ভ্রমণে দেশ-বিদেশ থেকে কেউ এ জেলায় এলে হোটেল সাহিদ প্যালেস দেখলেই বুঝবেন, চুয়াডাঙ্গার মানুষ কতটা রুচিশীল, শৌখিন ও অভিজাত। উন্নত দেশের সঙ্গে তালমিলিয়ে আমাদেরও উন্নয়ন হচ্ছে। আমরা সে দিকেই এগোচ্ছি। দামুড়হুদার শিবনগরে ১২৪ একর জায়গাজুড়ে বিশাল ডিসি ইকোপার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানকার নৈসর্গিক সৌন্দর্যের সঙ্গে আধুনিকায়নের ফলে পর্যটনের বিশেষ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আমরা এমনভাবে কাজ করছি, যেন একসময় মেহেরপুর মুজিবনগরের সঙ্গে সেতুবন্ধন হয়ে যায়। কেউ মুজিবনগরে এলে ইকোপার্কে তাঁকে আসতেই হবে। যা আমাদের জেলার পর্যটন খাতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সেই সঙ্গে চুয়াডাঙ্গায় আন্তর্জাতিক মানের খেলাধুলা আয়োজন এবং ব্যবসায়িক কাজে আসা মানুষদের জন্য হোটেলটি মানসম্পন্ন সেবাদানে সহায়ক হবে।’
পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘একজন মানুষ সব সময়ই নিরাপদ আবাসন, মনোরম পরিবেশ ও সামাজিকতা চান। যার সব সুবিধাই রয়েছে এই হোটেল সাহিদ প্যালেসের এক ছাদের নিচে। এই বিশাল স্থাপত্য নিয়ে পরিকল্পনার কথা শুনে ভালো লেগেছে যে এই প্রতিষ্ঠানের আয় দিয়ে সাহিদুজ্জামানের পিতা প্রয়াত শামসুজ্জোহার হাতে প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও থাকা-খাওয়ার নির্দিষ্ট ব্যবস্থা হবে। এভাবে সবাই সবার জায়গা থেকে এগিয়ে এলে জনকল্যাণ সাধিত হবে। এই হোটেলের পথচলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের বার্তা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলে অনেক মানুষই আকৃষ্ট হবেন।’
আলাপচারিতার শুরুতে সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, ‘আজ এক ছাদের নিচে থাকা-খাওয়া, পারিবারিক-সামাজিক উৎসব, সভা-সেমিনার-সিম্পোজিয়ামসহ চাহিদা অনুযায়ী সব রকম সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির জায়গা তৈরি হয়েছে। আভিজাত্যের সঙ্গে উন্নত সেবার লক্ষ্য নিয়ে হোটেল সাহিদ প্যালেস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের ওপর ভর করে চলবে একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ অঞ্চলের প্রথম এই তিন তারকা হোটেলটি আমাদের সবার। তাই সবার দোয়া, সহযোগিতা, ভালোবাসা ও নেক নজর চাই। আজ চুয়াডাঙ্গার বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ভালোলাগার বিষয়, আমি যখন চুয়াডাঙ্গার মেয়র ছিলাম, তখন এ হোটেলটি নির্মাণের প্ল্যান পাস করেছিলাম। আমার মাধ্যমেই জমি কেনা থেকে শুরু করে ভবন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। আমি সব সময় চাই, যাঁরা প্রবাসে আছেন, তাঁরা চুয়াডাঙ্গার জন্য কিছু করুক। আমার দেখা সেই স্বপ্ন আজ অনেকাংশেই বাস্তবায়ন হয়েছে।’
হোটেল সাহিদ প্যালেসের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘যাঁরা প্রবাসে চলে যায়, আর প্রতিষ্ঠা পায়, তাঁদের খুব কমসংখ্যক মানুষ পেছনে ফিরে তাকায়। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই আমার জন্মভূমি চুয়াডাঙ্গার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। তাই বারবার ফিরে আসি, চেষ্টা করি জন্মভূমির জন্য কিছু করার। আমার জীবনের একটি দর্শন আছে, আমি একবার যেটি চিন্তা করি, সেখান থেকে আমাকে আর কেউ ফেরাতে পারবে না। আমি শূন্য হাতে সিঙ্গাপুরে গিয়েছি, নিজের লক্ষ্যে অটুট থেকেছি, চেষ্টা করেছি। আমার পিতা শামসুজ্জোহা ছোট্ট পরিসরে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আজ সেটি বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। কিন্তু আমার পিতা মৃত্যুর সময় আমাকে বলে গিয়েছেন, যেন এই মাদ্রাসা কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকে আর মাদ্রাসার নামে কোনো রসিদ বই ছাপানো না হয়। তাই মাদ্রাসাটি চালানোর জন্য এই হোটেল এবং মাদ্রাসার একটি ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে তা শেষ করতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানটির কেউ মালিকানা দাবি করতে পারবে না, বিক্রি করতে পারবে না। সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি আলমডাঙ্গার পাঁচকমলাপুরে অবস্থিত হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে ওয়াকফ করে দেওয়া হয়েছে। যেন এর আয় দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাঠদান এবং এতিম শিশুদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা হয়। আজ আমি অনেকটাই চিন্তামুক্ত। আমার পিতার হাতে গড়া দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির একটি স্থায়ী বন্দোবস্ত হয়েছে। তাই আপনারা যে যেভাবে পারেন, এ প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল বাশার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেল, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র হাসান কাদির গণু, আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী, জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান হাফিজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সুলতানা লাকী, দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. বেলাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান কচি, দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিক, সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম মালিক লার্জ, পরিচালক নীল রতন সাহা (নীলু বাবু), নাসির আহাদ জোয়ার্দ্দার, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আসাদুল হোসেন জোয়ার্দ্দার লেমন, সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার ইবু, সমবায় নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী নেতা সুমন পারভেজ খান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আলাউদ্দীন হেলাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
হোটেল সাহিদ প্যালেসের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘যাঁরা প্রবাসে চলে যায়, আর প্রতিষ্ঠা পায়, তাঁদের খুব কমসংখ্যক মানুষ পেছনে ফিরে তাকায়। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই আমার জন্মভূমি চুয়াডাঙ্গার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। তাই বারবার ফিরে আসি, চেষ্টা করি জন্মভূমির জন্য কিছু করার। আমার জীবনের একটি দর্শন আছে, আমি একবার যেটি চিন্তা করি, সেখান থেকে আমাকে আর কেউ ফেরাতে পারবে না। আমি শূন্য হাতে সিঙ্গাপুরে গিয়েছি, নিজের লক্ষ্যে অটুট থেকেছি, চেষ্টা করেছি। আমার পিতা শামসুজ্জোহা ছোট্ট পরিসরে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আজ সেটি বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। কিন্তু আমার পিতা মৃত্যুর সময় আমাকে বলে গিয়েছেন, যেন এই মাদ্রাসা কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকে আর মাদ্রাসার নামে কোনো রসিদ বই ছাপানো না হয়। তাই মাদ্রাসাটি চালানোর জন্য এই হোটেল এবং মাদ্রাসার একটি ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে তা শেষ করতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানটির কেউ মালিকানা দাবি করতে পারবে না, বিক্রি করতে পারবে না। সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি আলমডাঙ্গার পাঁচকমলাপুরে অবস্থিত হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে ওয়াকফ করে দেওয়া হয়েছে। যেন এর আয় দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাঠদান এবং এতিম শিশুদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা হয়। আজ আমি অনেকটাই চিন্তামুক্ত। আমার পিতার হাতে গড়া দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির একটি স্থায়ী বন্দোবস্ত হয়েছে। তাই আপনারা যে যেভাবে পারেন, এ প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল বাশার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেল, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র হাসান কাদির গণু, আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী, জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান হাফিজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সুলতানা লাকী, দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. বেলাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান কচি, দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিক, সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম মালিক লার্জ, পরিচালক নীল রতন সাহা (নীলু বাবু), নাসির আহাদ জোয়ার্দ্দার, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আসাদুল হোসেন জোয়ার্দ্দার লেমন, সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার ইবু, সমবায় নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী নেতা সুমন পারভেজ খান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আলাউদ্দীন হেলাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
