ছবির ক্যাপশন:
পহেলা নভেম্বর থেকে চুয়াডাঙ্গা-দর্শনাসহ চারটি স্টেশনে
বিশেষ প্রতিবেদক:
আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে চুয়াডাঙ্গা-দর্শনাসহ চারটি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের মধ্যে চলাচলকারী আন্তনগর ট্রেন ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’। অন্য স্টেশন দুটি হলো ঝিকরগাছা ও কোটচাঁদপুর। প্রতিটি স্টেশনে ট্রেনটি দুই মিনিট করে থামবে। গতকাল বুধবার বিকেলে রাজশাহী রেলওয়ে অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার (ওয়েস্ট) ও অ্যসিস্টেন্ট চিফ অপারেটিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। তথ্যমতে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা স্টেশন, দর্শনা হল্ট স্টেশন, ঝিকরগাছা ও কোটচাঁদপুর স্টেশনে দুই মিনিট যাত্রবিরতি করবে। এ সময়ের মধ্যে যাত্রী ওঠা-নামা করতে পারবে।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর বলেন, দর্শনা একটি মডেল শহরে রূপান্তর হবে। গত পরশু একনেকের সভায় দর্শনা থেকে মুজিবনগর সড়কটি প্রশস্তকরণ ও রোড ডিভাইডারের জন্য সরকার প্রায় দেড় শ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছেন। এবার চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনার ট্রেনযাত্রীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটির যাত্রা বিরতির জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, গত ১৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পতাকা নেড়ে হুইসেল বাজিয়ে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি উদ্বোধন করেন। ১২টি বগি-সংবলিত ৯০০ আসনের ট্রেনটিতে উদ্বোধনের পর থেকেই যাত্রী স্বল্পতা ছিল। ট্রেনের দুটি এসি চেয়ারের বগি এবং একটি কেবিন-সংবলিত বগি প্রায়ই ফাঁকা থাকত। এ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা-দর্শনাসহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ট্রেনযাত্রীরা আন্দোলন ও স্মারকলিপির মাধ্যমে ট্রেনটির যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
ট্রেনটি যথারীতি সপ্তাহের ছয় দিন বেলা সাড়ে ১১টার সময় বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। আবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশে ফিরে আসবে। সকাল ৮টার মধ্যে ট্রেনটি বেনাপোল স্টেশনে ঢুকবে। যাত্রীরা অনলাইনেও ট্রেনটির টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
