ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় কর্মী সম্মেলনে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী
দর্শনা অফিস:
চতুর্থ কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে রিজিওনভিত্তিক কাজের লক্ষ্য এবং উন্নত কাজের ধারা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা রিজিওন কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় দর্শনা ডাকবাংলো অডিটরিয়াম কক্ষে এ আয়োজন করা হয়। ‘উন্নত জীবনের জন্য একসাথে’ স্লোগানকে সামনে রেখে একটি ন্যায্য ও সমৃদ্ধি সমাজ গড়ার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি কর্মসূচির সমন্বয়কারী কিতাব আলী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার রিজিওনাল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান যুদ্ধ এবং সংস্থার চতুর্থ কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন নাজমা সুলতানা লিলি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। তিনি ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সংস্থার তৃতীয় কৌশলগত পরিকল্পার চতুর্থ বছর শেষে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রেক্ষাপট এবং লক্ষিত জনগোষ্ঠিসহ দেশের আর্থ-সামাজিক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তিত উন্নয়ন চাহিদার আলোকে নতুন কৌশলগত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দিকনির্দেশনাসহ কিছু নতুন মাত্রার সমন্বয়ে ওয়েভ ফাউন্ডেশন চতুর্থ কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে, যা সংস্থার মিশন ও উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলেও এখনো দেশের ২১ দশমিক ৮ শতাংশ জনগণ দরিদ্র এবং ১১ দশমিক ৩ শতাংশ জনগণ অতিদরিদ্র। স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনে তাই আমাদের পাড়ি দিতে হবে বহুপথ। এ লক্ষ্য অর্জনে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের অধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মনে করি, এ কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংস্থার সক্ষমতার বিকাশ ঘটবে, যা দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠির জীবনমানের গুণগত পরিবর্তন এবং জাতীয় উন্নয়নপ্রক্রিয়াকে তরান্বিত করবে। এ ছাড়া তিনি ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সততার সঙ্গে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার আহবান জানান।’
এ ছাড়া কর্মী সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন উপনির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, অর্থ পরিচালক আমিরুল ইসলাম, ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের পরিচালক কফিল উদ্দিন, উপপরিচালক আব্দুস শুকুর, উপপরিচালক জহির রায়হান, সমস্বয়কারী অব্দুল মান্নান ও ফকর উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের কার্যক্রমে ভালো কাজ করার জন্য ৮ জন কর্মী ও কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নাহিদ ফাতেমা তামান্না।
