বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুইজন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় যদুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সম্মেলন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সম্মেলন চলাকালে নেতাদের বক্তব্য উঠে আসে ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোনো জামায়াত-বিএনপি পরিবারের সদস্য ঢুকতে পারবে না।’ এরপরেই চাপা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে থাকে। কারণ সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন তিনজন ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন চারজন। তিনজন সভাপতি প্রার্থীর মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন গাড্ডু ছিলেন বেগমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সাত্তার আলীর পুত্র।
সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান নান্নু। বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন ও বেগমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন। এ ছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একপর্যায়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ড সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম তাঁর লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা আনাছ আলীর ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ উঠে। তাঁদের মারামারি ঠেকাতে গেলে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শিফাত রহমান ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান বলেন, ‘এ ধরণের কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। তবে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে তুচ্ছ কোনো বিষয় নিয়ে হাতাহাতি হয়েছে বলে শুনেছি।’
