ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় আন্তর্জাতিক সর্প দংশন সচেতনতা দিবসের আলোচনা সভায় ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘সর্প দংশনে ওঝা নয়, হাসপাতালেই চিকিৎসা হয়’ এ প্রতিপাদ্যে দ্বিতীয়বারের মতো চুয়াডাঙ্গায় আন্তর্জাতিক সর্প দংশন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর হাসপাতাল চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালট্যান্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতলের সিনিয়র কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. পরিতোষ কুমার ঘোষ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. আকলিমা খাতুন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজিস্ট) ডা. আবুল হোসেন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি) ডা. এহসানুল হক তন্ময় ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের এনেসথেসিয়া কনসালট্যান্ট ডা. গোলাম মুর্শিদ ডালিম। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার, নার্সসহ হাসপাতালের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের হেল্থ এডুকেটর দেলোয়ার হোসেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন বলেন, ‘গ্রামে সাপে কামড়ের ঘটনা বেশি ঘটে। অনেক সময় নির্বিষ সাপ কামড় দিলেও মানুষ ভীত হয়ে কবিরাজ ও ওঝার কাছে যায়। টোটকা চিকিৎসায় রোগী ভালো হলে মনে করা হয় কবিরাজ ভালো। আসলে নির্বিষ সাপে কামড়ানো রোগী প্রকৃতির নিয়মেই সেরে ওঠে। তবে বিষধর সাপ দংশন করলে সঠিক চিকিৎসা জরুরি। আমাদের সচেতন থাকতে হবে। সাপে কামড়ালে রোগীকে ওঝার কাছে না নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে। সঠিক সময় রোগীকে হাসপাতালে নিলে বিষধর সাপের কামড়ের শিকার রোগীকে বাঁচানো সম্ভব। সচেতনতাই পারে সাপে কামড়ের রোগীর মৃত্যুর হাত হতে রক্ষা করতে।
