আসামিদের উপস্থিতিতে সরকারি দপ্তরে আপস : জনমনে প্রশ্ন

আপলোড তারিখঃ 2019-09-15 ইং
আসামিদের উপস্থিতিতে সরকারি দপ্তরে আপস : জনমনে প্রশ্ন ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার আলোচিত রুপার বিরুদ্ধে পশুচিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা অভিযোগ রয়েছে, মাসুদ রানাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়েই মীমাংসায় আলোচিত নারী রুপা বিশেষ প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের তালতলা পশুহাটপাড়ার আলোচিত নারী রুপার গরুর খামারের নিয়মিত পশুচিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় উভয় পক্ষের করা পাল্টাপাল্টি মামলা তুলে নিতে আপস-মীমাংসা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি সরকারি দপ্তরে আসামিদের উপস্থিতিতে পশুচিকিৎসক মাসুদ রানা ও রুপার মা রাহেদা খাতুনের করা মামলা তুলে নিতে এ আপস-মীমাংসা করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষ নিজেদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝির কথা স্বীকার করে মামলা তুলে নেবেন বলে একমত পোষণ করেন। তবে এ আপস-মীমাংসার বিষয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম হয়েছে। সচেতনমহলের অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একজন সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় যে মামলা হয়েছে, সে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত। অথচ আদালতের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে এ মামলার মীমাংসা করা হয়েছে, তাও আবার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের উপস্থিতিতে একটি সরকারি দপ্তরে বসে। এক পক্ষের মামলার বাদী পশুচিকিৎসক মাসুদ রানা একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও কীভাবে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম হয়েছে সুধীজনদের মনে। অনেকে মনে করেন, পশুচিকিৎসক মাসুদ রানা আলোচিত নারী রুপার কাছ থেকে কোনো অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এ আপস-মীমাংসা করছেন। এ ছাড়া মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আলোচিত নারী রুপাসহ অন্য আসামিরা কীভাবে সরকারি দপ্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। অথচ এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর থেকে পুলিশ হন্য হয়ে খুঁজেও রুপাকে আটক করতে ব্যর্থ হয়। উল্লেখ্য, পশুচিকিৎসক মাসুদ রানার মামলার এজাহারে উল্লেখ আছে, চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের তালতলা পশুহাটপাড়ার আলোচিত রুপা তাঁর ফার্মের গরুর চিকিৎসা করানোর জন্য পশুচিকিৎসক মাসুদ রানাকে ডাকেন। গত ২৭ আগস্ট বিকেল চারটার দিকে ওই পশুচিকিৎসক রুপার ফার্মে পৌঁছে গরুগুলোর চিকিৎসা শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পর রুপা বলেন, ‘তোর চিকিৎসা দেওয়ার কারণে তিন-চারটি গরু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিপূরণ দিয়ে এখান থেকে যাবি।’ এ কথা বলার পরপরই উপস্থিত ব্যক্তিরাসহ আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মাসুদ রানাকে মারধর করে আটকে রাখেন। পশুচিকিৎসককে মারধর করে আটকে রাখার ঘটনা জানাজানি হলে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশও খবর পায়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ ঘটনার দিন রাত আটটার দিকে রুপার গরুর ফার্ম থেকে আহত ওই পশুচিকিৎসককে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে রুপার স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না ও একই এলাকার মৃত মসলেম উদ্দীনের ছেলে মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় পশুচিকিৎসক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ এনে চুয়াডাঙ্গার আমলি আদালতে আলোচিত রুপার মা রাহেদা খাতুনও বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)