ঝিনাইদহ অফিস:
দীর্ঘ এক বছর পর ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মিজান হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঝিনাইদহ পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার বিকেলে মিজান হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আসামি জামাল, আমিরুল, সাইদ হাসান মনিরুল, রইচ মেম্বারসহ আরো তিন-চারজন মিজানুর রহমান মিজানকে হত্যা করার জন্য সুকৌশলে ডেকে নিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁকে হত্যা করেন। মিজানের শরীরে ২৩টি আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ হত্যাকা-ের পাঁচজন আসামি হচ্ছেন ঝিনাইদহ পৌর এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে আমিরুল ইসলাম, সদর উপজেলার পোড়াহটি ইউনিয়নের নুরুল ইসলামের ছেলে সাইদ হাসান মনিরুল, শৈলকুপা উপজেলার পিড়াগাতী গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে রইচ উদ্দীন মোল্লা ওরফে রইচ মেম্বার, দীঘল গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন ও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চররুপদা গ্রামের আশিকুজ্জামানের স্ত্রী চুমকী। তাঁদের মধ্যে আমিরুল ইসলাম ও জামাল হোসেন জেলহাজতে আছেন। জমিজমা নিয়ে বিরোধ, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও পরকীয়ার ঘটনায় মিজানকে হত্যা করা হয় বলে জানান এসআই তৌহিদুল।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১০ আগস্ট রাত সাড়ে আটটার দিকে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন শিশু হাসপাতালের সামনের একটি ওষুধের দোকানের মধ্যে মিজানুর রহমান মিজানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আসামিরা পলিয়ে যান। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মিজানের মা রহিমা খাতুন বাদী হয়ে পরদিন ১১ আগস্ট ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা করেন।
