ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর অফিস:
জীবননগরে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই তৈরি হচ্ছে স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকারক কোমল পানি হাই স্প্রিড, বাচ্চাদের খাবার আইসললি ও রোবো। এতে করে যেকোনো সময় হতে পারে স্বাস্থ্যজনিত বিভিন্ন রোগ।
জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ঘরজামাই মিল্টন প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই তৈরি করছে কোমল পানীয় হাই স্প্রিড আইসললি ও রোবো। যা স্বাস্থের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
নাম প্রকাশে না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, মিল্টন তিন মাস আগে শ্বশুরবাড়িতে এসে হুবহু কোমল পানীয় স্প্রিডের লোগো তৈরি করে রাতের আধারে তাঁর শ্যালক দুলালকে সঙ্গে নিয়ে নিজেই বাড়িতে স্প্রিড তৈরি করছেন। পাশাপাশি তিনি বাচ্চাদের জন্য তৈরি করছেন আইসললি। সরেজমিনে তথ্যসংগ্রহ করতে গেলে মিল্টনের শ্যালক দুলাল তাঁর দলবল ফ্যাক্টরিতে কাউকে ঢুকতে দেননি। এমনকি প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা তাঁর পকেটে থাকেন বলেও দম্ভ করে বলেন।
মিল্টনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘সবেমাত্র আমি ফ্যাক্টরি দিয়েছি, তাই এখনো বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। বিএসটিআইয়ের অনুমোদনের জন্য চেষ্টা করছি।’
কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল বাশার শিপলুর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, কাশিপুর গ্রামে যে স্প্রিড তৈরির কারখানা হয়েছে, এটা আমি জানি না। তা ছাড়া তারা তো ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও কোনো ট্রেড লাইসেন্স নেননি।’
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ গনি মিয়া জানান, অনুমোদন ছাড়া যদি কেউ কোমল পানীয় স্প্রিড, আইসললিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করে থাকে, তাহলে তদন্তপূর্বক তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিরাজুল ইসলাম বলেন, যদি কেউ বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া কোমলপানীয় তৈরি করে থাকেন, তাহলে তদন্তপূর্বক তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
