ছবির ক্যাপশন:
ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে স্যালাইন প্রদানকালে টোটন জোয়ার্দ্দার
শহর প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত দুস্থ ও অসহায় রোগীদের জন্য কলেরা স্যালাইন প্রদান করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, চুয়াডাঙ্গার উদ্যোগে ১ শ প্যাকেট স্যালাইন সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের হাতে তুলে দেন ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চেয়ারম্যান জেলা ফারিয়া ও ম্যানেজার ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির, ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন ও ডা. আকলিমা খাতুন।
এ সময় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, হঠাৎ করে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডায়রিয়া ওয়ার্ড ছাড়িয়ে হাসপাতালের বারান্দা ও মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী ভরপুর। এমনকি হাসপাতালের ভেতর চলাচলের সব জায়গাতেও ডায়রিয়া রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, অস্বাস্থ্যকর খাবার, পানিশূন্যতা ও ভ্যাপসা গরমের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তিনি জানান, কলেরা স্যালাইন ফুরিয়ে গেলেও হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও খাবার স্যালাইন মজুত আছে। বর্তমানে হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা আশঙ্কামুক্ত। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানান তিনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. শামীম কবির বলেন, ‘আবহাওয়াজনিত কারণে সব বয়সের মানুষ ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্যালাইন-সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। অনেকে অনুদান দিচ্ছেন। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিতে বলা হচ্ছে। আর খাবার খাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে এখন।’
রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, ‘যত দিন আছি, সবার পাশে ছায়ার মতো থাকব। গত কয়েক দিন থেকে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ ছাড়া শিশু-অভিভাবকদের অপরিচ্ছন্ন থাকা ও দূষিত পানি পান করার কারণেও ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুদের ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করতে হলে অবশ্যই মায়েদের সচেতন হতে হবে।’
