আন্দুলবাড়ীয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

আপলোড তারিখঃ 2019-08-08 ইং
আন্দুলবাড়ীয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর অফিস: জীবননগর আন্দুলবাড়ীয়ায় রাস্তার পাশের সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তারের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের কুলতলা মৌজার ব্রিজের দক্ষিণ পাশের রাস্তার ধারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের আমির হোসেন ইউনিয়নের জমি দখল করে পুকুর তৈরি করে মাছ চাষ করে আসছেন। কিন্তু আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার ওই জমিটি দখলমুক্ত করে একটি মাছের আড়ত তৈরি করার জন্য সেখানে মাটি দিয়ে ভরাট করছেন। এ মাটি ভরাট কাজের জন্য রাস্তার পাশে থাকা নিমগাছ এবং ভাটাম গাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে কয়েকটি নিমগাছের গুড়ি পড়ে আছে। এদিকে, কয়েকজনকে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি জমি লিজ দিয়ে তাঁদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে কোনো নোটিশ বাদেই পুনরায় তাঁদের উচ্ছেদ করার অভিযোগও উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান মোক্তারের বিরুদ্ধে। কুলতলা গ্রামের ঝড়ো ম-লের ছেলে ছমিরুদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি আট মাস আগে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাঁচ বছরের জন্য একটি ডিড করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছি, সেখানে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরও আছে। ১ হাজার ৮ শ টাকা জমা দিয়েছি, তার রশিদ আছে এবং সেখানে সচিবের স্বাক্ষর আছে। কিন্তু কোনো নোটিশ ছাড়াই চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের ঘর তুলে নিতে বলেছে, ঘর না তুললে মেশিন দিয়ে ঘর ভেঙে দেবে বলে বলেছে। চেয়ারম্যান সাহেবের ভয়ে আমরা বাধ্য হয়ে ঘর সরিয়ে চলে যাই। আমরা গরিব মানুষ, কোথায় যাব, আমি সমিতির মাধ্যমে লোন নিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ করেছি।’ একই অভিযোগ করেন কুলতলা গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে আয়েত আলী এবং ডালিমের ছেলে সাগর আলী। এ ব্যাপারে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হাসানুজ্জামানের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘যে তিনজন অভিযোগ করেছে, তাদের ইউনিয়ন পরিষদের জমিতে ঘর নির্মাণের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদে একটি ডিড করে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের উচ্ছেদের বিষয়টি আমি জানি না। তা ছাড়া গাছ কাটার বিষয়েও আমি জানি না। এ বিষয়ে কোনো রেজল্যুশন হয়নি, এটা চেয়ারম্যান সাহেব জানে।’ আন্দুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার বলেন, ‘আমি গাছ কেটেছি জনস্বার্থের জন্য এবং রেজল্যুশন করেই গাছগুলো কেটে ইউনিয়ন পরিষদে রেখেছি, পরবর্তীতে গাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে।’ ঘরের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এত কথার জবাব আমি আপনাদের দেব না।’ জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, সরকারি কোনো গাছ কাটতে হলে তার নিয়মগুলো আগে মানতে হবে। কোনো ব্যক্তি জোরপূর্বক গাছ কাটতে পারবেন না। যদি কেউ সরকারি গাছ নিয়ম না মেনে কাটেন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)