এবার নম্বর তুলতে ভুল করায় ২ শিক্ষক বরখাস্ত!

আপলোড তারিখঃ 2019-08-06 ইং
এবার নম্বর তুলতে ভুল করায় ২ শিক্ষক বরখাস্ত! ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন: এবার সমাপনী পরীক্ষার খাতার নম্বর তুলতে ভুল করায় দুইজন সহকারী শিক্ষককে বরখাস্ত করেছেন সেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। গত সপ্তাহে ছাত্র ইংরেজি পড়তে না পারায় এক শিক্ষককে বরখাস্ত করার পর আলোচনার জন্ম দেন ওই জেলা শিক্ষা অফিসার। যদিও শেষ পর্যন্ত নানামুখী চাপের মুখে সেই শিক্ষকের বরখাস্তের আদেশ তুলে নিতে বাধ্য হয়েছেন ওই জেলা শিক্ষা অফিসার। সবগুলো বরখাস্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। গত ৩১ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষককে বরখাস্ত করেন জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আকতারুজ্জামান। বরখাস্ত হওয়া দুই শিক্ষকের একজন রুবিনা খাতুন যিনি সমাপনী পরীক্ষার নিরীক্ষক ছিলেন। অন্যজন পাপিয়া খাতুন, যিনি ওই খাতা মূল্যায়ন করেছেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৭ মাস পর এদের বরখাস্ত করা হলো। ওই দুই শিক্ষকের অপরাধ এক শিক্ষার্থীর নম্বর পত্রে ৯৬ এর স্থলে ৭৬ লিখেছিলেন। এ সংক্রান্ত বরখাস্তের আদেশে বলা হয়, এতে ওই শিক্ষার্থীর ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এই ভুলের জন্য ওই দুই শিক্ষককে সরকারি দায়িত্ব অবহেলার শামিল হিসাবে উল্লেখ করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সূত্র জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে (৯৬ এর স্থলে ৭৬) পাওয়া ওই ছাত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে। কিন্তু শিক্ষা অফিসারের কম্পিউটার শাখা থেকে ওই শিক্ষার্থীর খাতা পুননিরীক্ষণ আবেদনও বিবেচনায় আনা হয়নি। প্রশ্ন উঠেছে, ওই শিক্ষার্থীর খাতা পুননিরীক্ষণের বিবেচনার না আনার জন্য শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার বিভাগ দায়ী নাকি ওই দুই শিক্ষক। তাহলে কেন তাদের বরখাস্ত করা হলো। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন, যেহেতু ওই শিক্ষার্থী তার প্রকৃত ফল পায়নি এ কারণে ওই দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু পুননিরীক্ষনের জন্য বিবেচনায় না আনার জন্য কী ওই দুই শিক্ষক দায়ী? প্রমন প্রশ্নের জবাবে বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি ওই শিক্ষা অফিসার। বলেছেন, বিধি অনুযায়ী ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা গ্রহণ করা হবে। খাতায় দেখার পর নম্বর তুলতে, মোট নম্বর তুলতে ভুল করলে শাস্তি সম্পর্কে শিক্ষা বোর্ডগুলো খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এবার এসএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে ৪ হাজার ৩১২ জন পরীক্ষার্থী নম্বর গণনায় ভুল হয়। যা তাদের পুনর্নিরীক্ষণ আবেদনের পর সংশোধন হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪৭ জন নতুন করে ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৬১৯ জন একেবারে অনুত্তীর্ণ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে। এমন চিত্র এইচএসসি ও জেএসসির ক্ষেত্রেও ঘটে এবং প্রতিবছরই। কিন্তু যেসব শিক্ষক এই ভুল করেন তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়। এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার বলেন, অনেক খাতা শিক্ষকরা দেখেন এমন সামান্য ভুলে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)