ছবির ক্যাপশন:
শিশু আবির হত্যা মামলায় মাদ্রাসার সুপার আবু হানিফের পর এবার
বিশেষ প্রতিবেদক:
আলমডাঙ্গার কয়রাডাঙ্গা নূরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিশু শিক্ষার্থী আবির হুসাইন হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি মাদ্রাসার সুপার আবু হানিফের পর এবার আরও একজনকে আটক দেখিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম হাফেজ মাওলানা তামিম বিন ইউসুফ। তিনি ওই মাদ্রাসারই একজন নিয়মিত শিক্ষক এবং নিহত আবিরের দূর সম্পর্কের মামা। গতকাল শনিবার বিকেলে তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ জানায়, এ বছরের এপ্রিল মাসের ১ তারিখে দূর সম্পর্কের মামা হাফেজ মাওলানা তামিম বিন ইউসুফের পরামর্শে কয়রাডাঙ্গা নুরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নুরানি বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় আবিরকে।
পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম (বার) বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি নিয়ে আমরা খুব সতর্কতার সঙ্গে তদন্তের কাজ করছি। কারণ এটি খুব স্পর্শকাতর একটি মামলা। এখন পর্যন্ত যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে, তাঁরা এ মামলার সঙ্গে জড়িত বলে মনে করছি। তদন্ত চলছে, শিগগিরই আরও কিছু জানা যাবে।’
উল্লেখ্য, আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা নূরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র আবির হুসাইন গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে মাদ্রাসার অদূরে একটি আমবাগানের ভেতর থেকে তার মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে ঘটনার দিনই মাদ্রাসার সুপার মুফতি আবু হানিফসহ পাঁচ শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার অদূরের একটি পুকুর থেকে নিহত আবির হুসাইনের নিখোঁজ মাথাটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ডুবুরি দল। ঘটনার দিন রাতেই নিহত আবিরের মা গোলাপী বেগম ছেলে হত্যার ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
