ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুরে গুজব, জঙ্গি ও মাদকবিরোধী সমাবেশে ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন
মেহেরপুর অফিস:
খুলনা বিভাগের রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেছেন, ‘জঙ্গি, গুজব ও মাদক একটি রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে। বাংলাদেশ পুলিশের সহায়তার জঙ্গি মোকাবিলায় আমরা সক্ষম হয়েছি। তবে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাদক ও গুজব।’ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম আয়োজিত শহরের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে গুজব, জঙ্গি ও মাদকবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন আরও বলেন, ‘তরুণ সমাজকে এখন গ্রাস করেছে মাদক। যুবসমাজ মাদকাসক্ত হয়ে হারাচ্ছে তার যৌবন। ফলে আগামীতে প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি সন্তান দানেও অক্ষম হতে পারে। এখনই প্রতিটি অভিভাবকে সচেতন হতে হবে। অন্যদিকে বিশ্ব যখন আধুনিক প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের ছুটতে হচ্ছে গুজব ঠেকাতে। এখনো আমাদের মানসিকতায় ভর করে আছে পদ্মা সেতু তৈরিতে টাকা নয়, মাথা লাগে। এ কারণে আমাদের মায়েদেরও প্রাণ দিতে হচ্ছে। আর জঙ্গি প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশ সক্ষম হলেও আতঙ্ক কাটেনি। কারণ একটি বীজ থেকে আবারও জঙ্গি ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ জন্য সব সময় আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। ইভটিজিংয়ের মতো ব্যাধিতেও আমরা আক্রান্ত হচ্ছি। তবে সব অপরাধ রুখতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। এখন জনগণবান্ধব পুলিশ। কারণ জনগণের ট্যাক্স থেকেই আমাদের মতো চাকরিজীবীদের বেতন হয়। সব সময় জনগণের পাশে থেকেই কাজ করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে তাঁর শাস্তি পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।
মেহেরপুর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি। বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম রসুল, মেহেরপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ খালেক, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম, পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও পিরোজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস, পিপি পল্লব ভট্টাচার্য, কাথুলী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা, কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি আবুল বাশার ও গাংনী উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
