ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণীয় নোটিশ উত্থাপনকালে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে মাত্র দুই মিনিটের বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ মামলার মেরিট, তার বয়স, সামাজিক অবস্থান ও জেন্ডার, যে কোন বিবেচনায় বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জামিন পাওয়া তার অধিকার। তিনি (খালেদা) যাতে সহজে মুক্তি না পান, তাই একটির পর একটি মিথ্যা মামলা খালেদা জিয়ার সামনে আনা হচ্ছে। বিএনপির এমপি বলেন, ১/১১ সরকারের সময় মামলা হয়েছে. দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমিটি গঠন করে তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো তুলে নিয়েছে। পুরোনো মামলার সঙ্গে বিএনপির ২৬ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধেনতুন করে যুক্ত হয়েছে এক লাখ মামলা। নির্বাচনের আগে নতুন করে গায়েবী মামলা বলে এক অদ্ভুত মামলা শুরু হয়েছে। ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, যেই মামলায় মৃত ব্যক্তি, পঙ্গু ব্যক্তি, বিদেশে থাকা ব্যক্তি, ঘটনা ঘটবার আগেই মামলা এই ধরণের অদ্ভুত সব মামলা করা হয়েছে, গায়েবি মামলার অধীনে। আইনের শাসন আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছিলেন, দেশে আইনের শাসন নেই। সরকার নিন্ম আদালতকে কব্জা করবার পরে এখন হাত বাড়িয়ে উচ্চ আদালতের দিকে। তিনি আরো বলেন, সংবিধানের ১১৫ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে নিন্ম আদালত এখনো কার্যত সরকারের অধীনে রয়ে গেছে। সেপারেশন অব পাওয়ার বাংলাদেশে এক কেতাবি কথা। অনেক সোনার পাথর বাটির মত। রাষ্ট্রের একটি অঙ্গ যদি স্বাধীন এবং স্বচ্ছ ভাবে কাজ করতে না পারে। তাহলে তা রাষ্ট্রের জন্য সমুহ বিপদ তৈরি করে।
