ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় কাঁঠাল উৎসব ও ভক্ষণ প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক কমিটি গঠন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কাঁঠাল শুধু আমাদের জাতীয় ফলই নয়, খুবই পুষ্টিকর, ভেষজগুণ সমৃদ্ধ, সুলভ ও উপকারী ফল। এর কা-, শাখা, পাতা, শেকড় কোনো কিছুই বাদ দেওয়ার মতো নয়। কিন্তু ইদানিং লক্ষ করা যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা কাঁঠাল খেতে আগ্রহী নয়, বরং তাদের মধ্যে বিরূপ মনোভাব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদা না থাকায় মূল্য হ্রাস পাচ্ছে, ফলে কাঁঠালগাছ উজাড় হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঙালী সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের এ জাতীয় ফল কাঁঠাল। যখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তত বলছে, গত ৩ মৌসুমে ৫৫ হেক্টরের বেশি জমিতে কাঁঠাল চাষ কমেছে, ঠিক সে সময়ই গত বছরের ন্যায় এবারও এ কাঁঠালকে নিয়ে এক ভিন্ন রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চুয়াডাঙ্গা জেলা সংসদ। উদীচী চুয়াডাঙ্গার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎসব ও ভক্ষণ প্রতিযোগিতা ২০১৯।
এ উপলক্ষে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে উদীচীর কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদীচী চুয়াডাঙ্গার সভাপতি বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উদীচী চুয়াডাঙ্গার সহসম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদকে আহ্বায়ক ও অধিকারকর্মী মেহেরাব্বিন সানভীকে সদস্যসচিব করে জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎসব ও ভক্ষণ প্রতিযোগিতা ২০১৯-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন আদিল হোসেন, শাহেদ জামাল, সাইফুল ইসলাম, মিলন কুমার অধিকারী, শ্রীদাম রায়, শাওন কুমার রায়, তাসলিমা আলম, তন্ময় কুমার বসু প্রমুখ।
আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব অধিকারকর্মী মেহেরাব্বিন সানভী জানান, ৯ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎসব ও ভক্ষণ প্রতিযোগিতা ২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে কাঁঠালকথন, আবৃত্তি, লোকগান ও কাঠাঁলরঙ্গ অনুষ্ঠিত হবে। কাঁঠাল খাওয়ার এ প্রতিযোগিতা দেখতেও অসাধারণ মজার। তা ছাড়া এবারে আরও নতুনভাবে এ অনুষ্ঠান সাজানো হবে। কাঁঠাল দিয়ে যত প্রকার খাদ্য-খাবার প্রস্তুত করা যায়, তারও একটি প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা হবে। এ প্রতিযোগিতায় সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হবে।
