ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে সুপেয় পানির ট্যাংক স্থাপনকালে ডিসি গোপাল চন্দ্র দাস
মেহেরাব্বিন সানভী: চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে দুই শিফটে অধ্যয়নরত প্রায় ২ হাজার ৫০০ ছাত্রী। কিন্তু বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ে ছিল না কোনো সুপেয় পানির ব্যবস্থা। অবশেষে কথা রেখে সুপেয় পানির ওভারহেড ট্যাংক স্থাপন করে দিল ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণের জন্য ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আর্সেনিক ও আয়রনমুক্ত ওভারহেড ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত এ ট্যাংকের উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। এ সময় তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পানির এ সমস্যাটির এবার প্রতিকার হলো। অতিদ্রুতই এ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান করা হবে। ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে, এমন কোনো সমস্যা বিদ্যালয়ে থাকবে না। এ প্রতিষ্ঠানে টয়লেটের সমস্যা আছে। এটিও অচিরেই সমাধান করা হবে। এ সময় তিনি পানির ট্যাংক স্থাপনের জন্য ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশনকে সাধুবাদ জানান।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্মৃতি কণা বিশ^াস। ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা প্রোগ্রামের প্রশাসক ডা. শাফিউল কবীরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী, আইএফবির সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ডা. মোহাম্মদ শাহীন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান কচি ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি।
চুয়াডাঙ্গার বেসরকারি সংস্থা ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা প্রোগ্রামের প্রশাসক ডা. শাফিউল কবীর জানান, ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কম্যুনিটি হাসপাতাল চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের জেলার মানুষের সেবায় কাজ করছে। চুয়াডাঙ্গা ভি. জে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে পানির আর্সেনিক ও আয়রন মুক্তকরণ স্থাপনা উদ্বোধনের সময় তৎকালীন জেলা প্রশাসকসহ অনেকেরই দাবি ছিল, চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়েও এ ধরনের একটি স্থাপনা স্থাপন করার। তারই পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনুদান ও সিডকো বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এ প্রতিষ্ঠানটি কয়েক বছরে এ ধরনের ছয়টি প্লান্ট স্থাপন করেছে।
