ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ কনস্টেবল পদে ২৮১ জন প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গা আদর্শ সরকারি মহিলা কলেজে এ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ জুন মঙ্গলবার সকাল দশটায় লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যাঁরা ৪৫ শতাংশ নম্বর পাবেন, তাঁরা সর্বশেষ ধাপের পরীক্ষা (মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক, ২০ নম্বর) দিতে পারবেন।
গতকাল রোববার বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গা আদর্শ সরকারি মহিলা কলেজে লিখিত পরীক্ষা চলাকালে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম (বার) নিজে উপস্থিত থেকে পুরো পরীক্ষা তদারকি করেন, যাতে নিয়োগে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন, দুর্নীতি ও অনিয়ম না হয়।
চাকরিপ্রত্যাশী যুবক বজলুল আলম জীবন বলেন, ‘সঠিক কাগজপত্র ও উচ্চতা অনুযায়ী আমাদের বাছাই শেষে দৌড় প্রতিযোগিতা ও রোপিং (দড়ি ধরে ওপরে ওঠা-নামা) করানো হয়। এতেই অনেকে বাদ পড়েছেন। কোনো কিছুতে অনিয়ম বা দুর্নীতি আছে বলে মনে হয়নি। আমি ১০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট নিয়ে মাঠে গিয়েছিলাম। প্রাথমিক পরীক্ষায় টিকে রিটেন পরীক্ষা দিয়েছি। ভালো নম্বর তুলতে পারলে ভাইভাতে সুযোগ পেতে পারি।’
উল্লেখ্য, মাত্র ১০০ টাকায় মিলবে পুলিশের চাকরি। আর ৩ টাকার একটি ফরম নিজ খরচে দেবেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার। এমন কথা ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা জেলার অজপাড়াগাঁ পর্যন্ত। এ সুযোগ কাজে লাগাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন চাকরি নামক সোনার হরিণ প্রত্যাশীরা। গত শনিবার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম দিন সকাল আটটায় খুলে দেওয়া হয় পুলিশ লাইনসের প্রধান ফটক। এরপর সারিবদ্ধভাবে ভেতরে প্রবেশ করানো হয় চাকরিপ্রত্যাশীদের। সকাল নয়টা থেকে শুরু হয় মাপজোখ ও শারীরিক পরীক্ষার (দৌড়, রোপিং, জাম্পিং ইত্যাদি) কার্যক্রম। এরপর সহ¯্রাধিক প্রার্থীর মধ্য থেকে ২৪৮ জন পুরুষ ও ৩৩ জন নারী প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
