ছবির ক্যাপশন:
আন্দুলবাড়িয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এনএসআই’র অভিযান
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামে অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনকারী দু’টি প্রতিষ্ঠানকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা। একই সঙ্গে দু’টি কারখানার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন,এস,আই) এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকা যৌথভাবে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও এন,এস,আই চুয়াডাঙ্গা’র একটি দল।
অভিযানকালে চোখে পড়ে, কোন প্রকার বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স ছাড়াই প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে কারখানা খুলে এসব প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন করে বাজারজাত করা হচ্ছে। খাদ্যদ্রব্য তৈরির মূল উপাদান আটার খামিরের উপর ঘুরছে নানা রকম পোকা ও মাছি। উৎপাদিত এ খাদ্যের প্রতি ভোক্তাদের আকর্ষণ বাড়াতে ব্যবহার করা হচ্ছে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নানা প্রকার রঙ। মানা হচ্ছে না মোড়কীকরণ আইন। মেয়াদোত্তীর্ণ দ্রব্যগুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে, যা পরবর্তীতে নতুন পুরাতন প্যাকেট ভর্তি করে বাজারজাত করা হবে। এসমন্ত অপরাধের ভিত্তিতে আন্দুলবাড়িয়ার মায়ের দোয়া বেকারির মালিক সাইদুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৩৭, ৪২, ৪৩ ধারায় ৭ হাজার টাকা এবং সালামত ফুড প্রোডাক্টসের মালিক হানিফ সরদারকে একই ধারায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন,এস,আই) এর সহকারী পরিচালক লুতফুল কবির এবং তপু কুমার ভৌমিক। পরে জব্দকৃত এসব নিম্নমানের অস্বাস্থ্যকর পণ্যগুলো ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। এবং বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স না হওয়া এবং পরিবেশের উন্নয়ন না করা পর্যন্ত কারখানা দুটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। যা স্থানীয় ইউপি সদস্যের তত্ত্বাবধানে থাকবে। অভিযানে সহযোগিতায় ছিল চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল।
