ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান
আগামী সেপ্টেম্বরের জেলা-উপজেলা-পৌর-ইউনিয়ন কমিটির সম্মেলন : জাতীয় সম্মেলন অক্টোবরে
এসএম শাফায়েত:
‘দলের ভালো সময় যখন থাকে তখন ষড়যন্ত্র বেশি হয়। আজ আমাদের ভালো সময় কিন্তু আমি বলবো দুঃসময়। দেশের মানুষ এখন শান্তিতে জীবনযাপন করছে। কিন্তু একটি মহল আওয়ামী লীগকে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে। তাদের এই ষড়যন্ত্র কোন ভাবেই সফল হতে দেয়া যাবে না। কারণ দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই দলকে আরও শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’ চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী প্রতিটি বাঙালী হৃদয়ে ছড়িয়ে দিতে পারি সেই জন্য আমাদের শত বার্ষিকী পালন করতে হবে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলার নেতাকর্মীদের আগামী কর্মসূচী তুলে ধরে আব্দুর রহমান বলেন, ‘তৃণমূল থেকে সংগঠন সাজাতে হবে। অক্টোবর মাসে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। তারই প্রস্তুতি হিসাবে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে এই সভা আমরা করতে চাই। আমরা আলোচনা করেছি- মে মাস পবিত্র রমজান, সিয়াম সাধনার মধ্যদিয়ে শেষ হবে। তবে ইফতার পার্টির মাধ্যমে উপজেলা, থানা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বর্ধিত সভা সম্পন্ন করতে হবে। এরপর জুন মাসে জাতীয় সংসদের বাজেট সেশন, জুলাই মাসে দল গোছানোর জন্য কিছু সময় পাওয়া যাবে। ওই সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্মেলন শেষ করতে হবে। আগস্ট মাস আমাদের শোকের মাস, এই মাসে আমরা কোন কর্মসূচী পালন করতে পারবো না। তাই ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলা ও পৌর সম্মেলন সম্পন্ন করবেন এবং ২৮ সেপ্টেম্বরের আগে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষ করে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে একটি নতুন কমিটি উপহার দেবেন। অক্টোবরে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্ত্বরে এ আয়োজন করে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ। এ সভার মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা কার্যক্রম শুরু হলো। আগামী জাতীয় সম্মেলনের আগেই সকল জেলায় বর্ধিত সভা করা হবে বলে জানা গেছে।
এরআগে সভার উদ্বোধন করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার অদম্য নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে স্বপ্নের বাংলাদেশ। তিনি যেমন আমাদের অভিভাবক, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। একই সঙ্গে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা এমন একজন মানিসকতার মানুষ যিনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও জনগণ ও দল নিয়ে চিন্তা করেন। প্রতি তিন বছর পর পর জাতীয় সম্মেলনের মধ্যদিয়ে দলে নতুন ও সৃজনশীল নেতৃত্ব সৃষ্টি করেন। একই সঙ্গে আগামী ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বর্ষ উৎযাপনে আপনাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি’র সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নু জান সুফিয়ান এমপি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস.এম কামাল হোসেন, এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, পারভিন জামান কল্পনা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি হাজী আলী আজগার টগর এমপি (চুয়াডাঙ্গা-২)। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সদর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি আঃ মান্নান নান্নু, আলমডাঙ্গা উপজেলা আ. লীগের সভাপতি হাসান কাদির গণু, দামুড়হুদা উপজেলা আ. লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু ও জীবননগর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি গোলাম মর্তুজা।
মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল হক বিশ্বাস, সহ-সভাপতি খুস্তার জামিল, নাসির উদ্দীন, এড. আব্দুর রশিদ মোল্লা, নজরুল মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মুহা. শামসুজ্জোহা, হাবিবুর রহমান লাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুজ্জামান লিটু, এড. আঃ মালেক, দপ্তর সম্পাদক এড. আবু তালেব বিশ্বাস, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শাহদাৎ হোসেন, পৌর সভাপতি জহুরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন হেলা, আলমডাঙ্গা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, পৌর সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা, দামুড়হুদা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মন্জু, দর্শনা পৌর সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান, জীবননগর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পৌর সভাপতি আবু মো. আ. লতিফ অমল, সাধারণ সম্পাদক মুন্সী নাসির উদ্দীন। সভায় জেলা আ.লীগের সকল সদস্য, চার উপজেলার সকল ইউনিয়নের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নান।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্ত্বরে এ আয়োজন করে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ। এ সভার মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা কার্যক্রম শুরু হলো। আগামী জাতীয় সম্মেলনের আগেই সকল জেলায় বর্ধিত সভা করা হবে বলে জানা গেছে।
এরআগে সভার উদ্বোধন করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার অদম্য নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে স্বপ্নের বাংলাদেশ। তিনি যেমন আমাদের অভিভাবক, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। একই সঙ্গে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা এমন একজন মানিসকতার মানুষ যিনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও জনগণ ও দল নিয়ে চিন্তা করেন। প্রতি তিন বছর পর পর জাতীয় সম্মেলনের মধ্যদিয়ে দলে নতুন ও সৃজনশীল নেতৃত্ব সৃষ্টি করেন। একই সঙ্গে আগামী ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বর্ষ উৎযাপনে আপনাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি’র সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নু জান সুফিয়ান এমপি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস.এম কামাল হোসেন, এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, পারভিন জামান কল্পনা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি হাজী আলী আজগার টগর এমপি (চুয়াডাঙ্গা-২)। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সদর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি আঃ মান্নান নান্নু, আলমডাঙ্গা উপজেলা আ. লীগের সভাপতি হাসান কাদির গণু, দামুড়হুদা উপজেলা আ. লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু ও জীবননগর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি গোলাম মর্তুজা।
মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল হক বিশ্বাস, সহ-সভাপতি খুস্তার জামিল, নাসির উদ্দীন, এড. আব্দুর রশিদ মোল্লা, নজরুল মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মুহা. শামসুজ্জোহা, হাবিবুর রহমান লাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুজ্জামান লিটু, এড. আঃ মালেক, দপ্তর সম্পাদক এড. আবু তালেব বিশ্বাস, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শাহদাৎ হোসেন, পৌর সভাপতি জহুরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন হেলা, আলমডাঙ্গা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, পৌর সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা, দামুড়হুদা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মন্জু, দর্শনা পৌর সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান, জীবননগর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পৌর সভাপতি আবু মো. আ. লতিফ অমল, সাধারণ সম্পাদক মুন্সী নাসির উদ্দীন। সভায় জেলা আ.লীগের সকল সদস্য, চার উপজেলার সকল ইউনিয়নের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নান।
