ছবির ক্যাপশন:
আফজালুল হক:
আত্মশুদ্ধির মাস হিসেবে পরিচিত পবিত্র মাহে রমজান। গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে রমজানের প্রথম রোজা। গত সোমবার রাতে তারাবির নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সাহরী খাওয়ার মধ্যদিয়ে মুসলমানরা রমজান মাসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। এর মাঝে মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজে ছিল উপচে পড়া ভিড়। রমজানের প্রথম দিনে চুয়াডাঙ্গা শহরসহ আশেপাশের এলাকায় ইফতার বাজার জমে উঠেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে শহরের প্রতিটি সুনামধন্য হোটেল রেস্তোরাঁর পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে গড়ে ওঠা ইফতার সামগ্রী বিক্রির দোকানগুলোয় ক্রেতারা ভিড় করেন। বিকেল ৬টার মধ্যে অনেক ইফতারের দোকানে কেনাকাটা শেষ হয়ে যায়। তবে এসব নামি দামি হোটেল রেস্তোরাঁর পাশাপাশি অসংখ্য ইফতারির অস্থায়ী দোকানেও কেনাকাটা হচ্ছে। ইফতারের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজু, ছোলা, হালিম, জিলাপী, বিরিয়ানী, খেজুর, মুড়ি, বেগুনী, পায়েছ, রোস্ট, কাবাব, মৌসুমি ফলসহ নানা ধরনের খাবার।
রমজানের শুরু থেকে ইফতারের জন্য হোটেল রেস্তোরা ছাড়াও অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের বাহারী আইটেমের ইফতারি সামগ্রী আছরের নামাজের পরপরই জমে উঠেছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে জমজমাটভাবে গড়ে উঠেছে এসব দোকানপাট। বিভিন্ন স্থান থেকে আশা রোজাদারদের পাশাপাশি স্থানীয়রা ও আসরের নামাজের পর পরই ইফতার নেওয়ার ধুম পরে যায়। বিভিন্ন স্থান ইফতারীর দোকানগুলোতে থাকে উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে এই সৃজনালী ইফতার বেশির ভাগ হোটেল রেস্তরা সামনে খোলামেলা স্থানে ইফতার সাজিয়ে রাখছে দোকানিরা। বুট, পেঁয়াজু, জিলাপী, বেগুণী, বুড়িন্দা, শাকের সপ, মাংসের চপসহ বাহারী আইটেমের ইফতার। ইফতারের জন্য প্রধান বুট, মুড়ি, সাথে খেজুর, এবার আমের পরিমান বেশী, শশা ও লেবুর কদরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ইফতারের দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে কোন ক্ষোভ নেই বলে জানালেন ক্রেতা মিজানুর রহমান ও অনেকে।
