ছবির ক্যাপশন:
তিতুদহে বিনা দাওয়াতে বিয়ে বাড়িতে পুলিশ!
প্রতিবেদক, তিতুদহ:
বিয়ে বাড়ি বলে কথা। চারিদিকে প্রতিবেশী আর আত্মীয়-স¦জনদের ব্যস্ততা। রাতের আধারে বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন। সাদা রংয়ের মাইক্রোগাড়ীতে হাজির বর ও যাত্রীরা। গোপনে হলেও আয়োজনের কমতি নেই। বিয়ের পিরিতে লাল শাড়ী পড়ে বসে আছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৮ম শ্রেণীতে পড়–য়া কনে। এমন সময় বিনা দাওয়াতে বিয়ে বাড়িতে হাজির পুলিশ। মুর্হুতের মধ্যে থমকে গেলো সব আয়োজন আর ব্যস্ততা। বর ও যাত্রীদের পালিয়ে রক্ষা। পুলিশের তড়িৎ পদক্ষেপে ভেস্তে গেল বাল্যবিবাহ। পুলিশের এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।
জানা গেছে, গতকাল রোববার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোটশলুয়া গ্রামের পশ্চিমপাড়ার খলিল মিয়ার মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী প্রীতির সাথে জনৈক (নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি) বিয়ের সব আয়োজন ঠিক হওয়ার পর বিয়ে চলাকালিন সময় খবর পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হাজির হয় হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই রাহাত হোসেন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বরসহ যাত্রীরা পালিয়ে যায়। মুহুর্তে ভেস্তে যায় বাল্যবিয়ের সব আয়োজন। এ সময় কনের পিতা মেয়েকে বিয়ে দিবে না অঙ্গীকার করে।
এ বিষয়ে হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই রাহাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থি হই। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সবাই পালিয়ে যায়। কোনভাবেই যাতে আর বাল্যবিয়ের আয়োজন কিংবা গোপনে বিয়ে না হয় সে বিষয়ে কনে পক্ষকে কড়া নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।
