ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলার চার হাজারেরও বেশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকল্পে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একান্ত সহকারী মোস্তাফিজুর রহমান (উপ-সচিব), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ম্ন্সুী আবু সাঈফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার মানন্নোয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে দেশের ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করাসহ শিক্ষকদের বেতন দ্বিগুন করেছেন। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ও পিটিআই ট্রেনিংয়ে অবস্থানের কারণে পাঠদান কার্যক্রম বিঘœ হয়। এ সমস্যা সমাধানে শিগগিরই ২০% রিজার্ভ পদ সৃষ্টি করে ৮০ হাজার জনবল নিয়োগ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে নৈশ প্রহরী নিয়োগ পর্যন্ত ব্যাপক অর্থ বাণিজ্যের কথা শোনা যায়। কিন্তু আপনারা জেনে রাখুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোন অর্থ বাণিজ্য হয় না। এ ছাড়া নৈশ প্রহরী কোন স্থায়ী পদ নয়। তাই এই পদে নিয়োগ পেতে যারা অর্থ বানিজ্য করেন, তারা যোগ্য প্রার্থীর সঙ্গে প্রতারণা করেন।’
শিক্ষকদের হটকারী সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, ‘গ্রেড পরিবর্তন/নির্ধারণ/উন্নীতকরণের জন্য বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকরা হটকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেন। আপনাদের প্রতি অনুরোধ-কোন হটকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না। কারণ রাতারাতি গ্রেড পরিবর্তন হয় না। প্রক্রিয়া চলছে শিগগিরই আপনাদের গ্রেড সমস্যার সমাধান হবে।’ এ ছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকদের উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব।
