কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কাঠের ঢেঁকি

আপলোড তারিখঃ 2019-04-27 ইং
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কাঠের ঢেঁকি ছবির ক্যাপশন:
আনিছ বিশ্বাস: চুয়াডাঙ্গায় আর তেমন চোখে পড়ে না কাঠের তৈরী ঢেঁকি, তাছাড়া আর ঢেঁকিতে আটাও কোটে না কেউ। গ্রামগঞ্জের বাড়িগুলোই আগের মতো আর আটাও কুটতে দেখা যায় না। আধুনিক যুগে এখন গৃহবধুরা ঢেঁকির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক মেশিনে (মোটর) আটা কুটার কাজ সেরে ফেলে। এক সময় চুয়াডাঙ্গা জেলার গ্রামগঞ্জের পাড়া মহল্লাগুলোর গৃহবধুরা বিভিন্ন তিথিতে কাঠের ঢেঁকি দিয়ে আটা তৈরী করত। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক যুগে গৃহবধুদের আটা কোটার কৌশল পরিবর্তন হয়েছে। এখন তারা কাঠের তৈরী ঢেঁকির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক মোটর দিয়ে আটা তৈরীর কাজ সেরে ফেলে। এক সময় গৃহবধুরা সকালে রান্নার কাজ সেরে পরিবারের স্বামী সন্তানদের খায়ানোর পর কিংবা রাতে ঘুমানোর আগে গভীর রাত পর্যন্ত আটা তৈরীর কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। সেই সময় আটা তৈরীতে ২-৩ জন গৃহবধু নানা ধরনের আঞ্চলিক গীতি গানে মেতে থাকত। এভাবে কাজের মধ্যে গৃহবধুরা বিনোদনের মেতে উঠতো। তারা এভাবে কাজের মধ্যে বিনোদনে মেতে থাকায় তাদের শারিরীক পরিশ্রম কখন বুঝে উঠতে পারত না। এক সময় গ্রামগঞ্জের প্রভাবশালী ব্যক্তিতে তাদের কাঠের ঢেঁকি দিয়ে আটা কোটার প্রচলন থাকলেও আজ সেই বাড়িগুলোতে কাঠের ঢেঁকি চোখে পড়ে না। এখন প্রতিটি গ্রামে ২/১টি করে কাঠের ঢেঁকি থাকলেও তার ব্যবহার খুব কম হচ্ছে। গত কয়েকদিন জীবননগর উপজেলার পৌর শহর ও সীমান্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে কয় একটা ঢেঁকির দেখা মিলেছে। তবে সেই ঢেঁকিগুলো এখন আর কাজে লাগেনা। এ ব্যাপারে ঢেঁকিওয়ালা এক গৃহবধু বেবি খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের ঢেঁকি থেকে গ্রামের মহিলারা মাঝে মাঝে আটা কুটতে আসে। বিশেষ করে শবে-বরাতে কাঠের ঢেঁকিতে আটা কুটার ধূম বয়ে যায়। সেই আটা দিয়ে তৈরী করা হয় বিভিন্ন ধরনের পিঠা। ঢেঁকিতে কোটা আটায় পিঠা ভাল হয়। আধুনিক যুগে মেশিনের তৈরী আটার পিঠা ভাল না হওয়ায় ঢেকির পানে মানুষের চাহিদা অনেক।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)