ভ্রাম্যমাণ প্রতিবেদক, আলমডাঙ্গা:
আলমডাঙ্গা হারদীর পৃথকস্থানে জমি সংক্রান্ত জের ধরে মারামারিতে মহিলাসহ ৬ জন আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা পৃথকভাবে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করেছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের লক্ষীপুর রাজান আলীর ছেলে আবুল হোসেনের সাথে একই গ্রামের হামিদ খলিফার দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে হামিদ খলিফা জোরপূর্বক আবুল হোসেনের জমির উপরে ইটের প্রাছীর নির্মাণ করতে যায়। এসময় আবুল হোসেনের বাড়ির লোকজন বাধা দিলে হামিদ খলিফা তার ভাই ফেকু, ফেরু, ওসমানপুর গ্রামের মফে ফারাজীর ছেলে জাকারিয়া, একই গ্রামের রুস্ত আলীর ছেলে কুদ্দুসকে ডেকে নিয়ে আসে জোরপূর্বক দখল করে প্রাচীর নির্মাণের জন্য। এসময় দখলের মুহুর্তে উভয়ের মধ্যে তর্কবিতর্ক সৃষ্টির সময় হামিদ খলিফার লোকজন মৃত রাজান আলীর ছেলে আবুল হোসেন, ইসলামের ছেলে জিনারুল, তার ভাই সামিম, আবুল হোসেনের ছেলে হাসেম খলিফাকে বেধড়ক মারপিট করে। এসময় তারা মারাত্মক আহত হলে স্থানীয় হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই ঘটনায় তাদের বিভিন্ন স্থানে সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা হারদী গ্রামের থানাপাড়ার আজাদ আলীর স্ত্রী জেসমিন খাতুনকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আজির বক্সের ছেলে আলমের বিরুদ্ধে। গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে আলম প্রভাবশালী হওয়ায় জেসমিন খাতুনকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের কারণে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হারদী থানাপাড়ার শুকুর আলীর ছেলে আজাদের বিরুদ্ধে তার বোন ডালিয়ার ভাগের ৮ কাঠা জমি গোপনে রেজিষ্ট্রি করে নেওয়ার অভিযোগ তোলে আলম। এই ঘটনায় আজাদের সম্পর্কে চাচা আলম দুপুরে মিমাংশের জন্য বাড়িতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি ও গালিগাজাজ করে আজাদ ও তার স্ত্রী জেসমিনের বিরুদ্ধে। জেসমিন প্রতিবাদ করায় আলম ক্ষিপ্ত হয়ে জেসমিনকে বেধড়ক কিলঘুশি মারলে সে ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হারদী হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে জেসমিনের স্বামী আজাদ।
