ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দেশে সভ্যতা ফিরিয়ে আনতে সক্রিয়ভাবে মাঠে নামার ব্যাপারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। গতকাল বুধবার বিকালে মতিঝিলে তার নিজ চেম্বারে ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির এক বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশে ধর্ষণ মহামারি আকার ধারণ করেছে। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। আমরা মনে করি এসবের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরো জোরদার করতে হবে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। আজকের বৈঠকে আমরা ঐক্যমতে পৌঁছেছি যে আমাদের সক্রিয়ভাবে মাঠে নামতে হবে। দেশে সভ্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নামতে হবে। এসময় তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা লক্ষ্য করছি। যারা আইন ভঙ্গ করছে তাদের ব্যাপারে তারা নিষ্ক্রিয়। যারা নাগরিকদের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে তাদের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ধরণের তৎপরতা দেখছি না। অন্যদিকে যারা বিভিন্নভাবে মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে তৎপরতা দেখাচ্ছে। তাই আমরা মনে করি জরুরি ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ একটা উদ্যোগ নিয়ে দেশের মানবাধিকার রক্ষা করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা দরকার। সুলতান মোহাম্মদ মনসুর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, কিন্তু মোকাব্বির খানের বিষয়ে কেন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, এটা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক। এখানে দলীয় বিষয়ে প্রশ্ন না করা ভালো। এসময় গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, মোকাব্বির খানের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেটি গণমাধ্যমকর্মীরা জানেন।
