ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
এবার হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টির মুখোমুখি হলো চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী। এ সপ্তাহে বেশ কয়েকবার দমকা হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়েছে, যা মৌসুমী ফল ও কিছু ফসলের জন্য ক্ষতির কারণ ছিল। তবে গতকাল শনিবারের ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টিপাত বোরো ধানের জন্য আর্শীবাদ স্বরুপ বলছে কৃষিবীদরা।
এ বছর চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো এটি একটি কালবৈশাখী ঝড়- বলছেন অনেকে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগেই বলা হয়েছিল, ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে গতকালের হাওয়ার গতিবেগ ছিল ২৫-৩০ কিলোমিটার। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ১৪ মিলিমিটার। দিনভর প্রচ- গরম থাকলেও মাগরিবের নামাজের কিছুক্ষণ আগেই আকাশ অন্ধকার হয়ে আসে। হঠাৎ তীব্র বেগে ঝড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানো ও ক্ষণিকের মধ্যেই মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। আকস্মিক বৃষ্টিতে অনেকেই কাকভেজা হন। গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভুট্টা ও গম সময়মতো গুছাতে না পেরে ভিজে নষ্টের উপক্রম হয়েছে। তবে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে তা বোরো ধানের জন্য উপকারী, অনেকটা প্রাকৃতিক সেচের মতো। যা মাটিকে উর্বর এবং ধান গাছকে আরও শক্ত করবে বলে ধারণা করছেন কৃষিবীদরা।
এদিকে দুপুরে আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে বলা হয়, বিকেল ৩টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।
দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরসমূহের জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ ঝাড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদী বন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি /বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদী বন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়।
