ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাত
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে আলু, গম, সরিষা, তরমুজের বেশী ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া আম, লিচু, পেয়ারাসহ মৌসুমী ফলের মুকুলেরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আচমকা শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে মাঠে শত শত বিঘা আলু, সরিষা, পিয়াজ, রসুনসহ এ জাতীয় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি বেশি। এ ছাড়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে ধান, ভুট্টা, কলাসহ বিভিন্ন ফসল। ভেঙে পড়েছে গাছপালা, ঘরবাড়ি। ঝরে গেছে আম ও লিচুর মুকুল। গতকাল শনিবার বিকালের পর থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টিতে এ ধরণের ক্ষয়ক্ষতি চোখে পড়ে। তবে আবহাওয়া অফিসের মিলিমিটার স্কেলে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। মৌখিক ভাবে জানানো হয় খুবই কম বৃষ্টি হয়েছে, সঙ্গে হালকা শিলা বর্ষণ। কিন্তু এরইমধ্যে আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ধান, গম, ধনিয়া, সরিষা, মসুর ও তামাক ক্ষেতে অতিরিক্ত পানি জমেছে। ফলে দ্রুত পচনশীল এ সকল ফসল নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
সরেজমিনে বেশ কয়েকটি মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে কয়েক’শ হেক্টর জমির ভুট্টা, তামাক ও কলাগাছ। জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে মাটি ভেদ করে বেরিয়ে এসেছে আলু, পেঁয়াজ ও রসুন। ঠিকমতো পরিচর্যা না হলে এ সকল ফসল পচে নষ্ট হবে। এদিকে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ধান, গম, মসুর, ধনিয়াসহ নানা শাকসবজিরও। বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় গাছ ভেঙে ও উপড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক তার, খুটি এবং ট্রান্সফরমারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে হঠাৎ বর্ষণে মেইন লাইন ও সরবরাহ লাইনের উপর গাছের ডাল ভেঙে পড়ায় বেশ কিছু সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল অনেক এলাকার গ্রাহকরা। তবে তাৎক্ষনিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি কৃষি বিভাগ।
