সাইফুলের ফাঁসি কার্যকর

আপলোড তারিখঃ 2019-03-04 ইং
সাইফুলের ফাঁসি কার্যকর ছবির ক্যাপশন:
ঢাকায় সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা সমীকরণ প্রতিবেদন: ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় মৃত্যুদ- প্রাপ্ত আসামি সাইফুল ইসলামের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। গতকাল রবিবার রাত ১০টা এক মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান জানান, উচ্চ আদালতের রায় কারাগারে আসলে বিধি মোতাবেক সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রাত ১০টা এক মিনিটে সাইফুল ইসলামের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই লাশ মা আলেয়া বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সাইফুল ইসলাম (৪৮) বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার মধ্য খোন্তাকাটা গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তিনি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে বন্দি ছিলেন। কাশিমপুর কারাগার সূত্রে জানা গেছে, লাল কাপড়ে মোড়ানো ফাঁসির পরোয়ানা রবিবার কারাগারে পৌঁছায়। পরে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফাঁসির মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করে। তার আগে সাইফুলের স্বজনদের শেষ দেখা-সাক্ষাতের জন্য খবর দেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মশিউর রহমান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কারাগারে পৌঁছান। পরে কারারীতি অনুযায়ী গোসল তওবা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর যমটুপি পরিয়ে জল্লাদ তাকে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যায়। রাত ১০টা এক মিনিটে রশিতে ঝুলিয়ে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাশ মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী (৪৫)। পরদিন ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হত্যাকা-ের দুইদিন পর পুলিশ গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ঘটনার সাড়ে চার মাস পর সাইফুল ইসলামসহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর পুলিশ তাদের ‘ছিনতাইকারী’ বলে জানায়। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। সেখানে গ্রেফতার চারজনের সঙ্গে সেলিম চৌধুরী নামে পলাতক আরেকজনকে আসামি করা হয়। ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর এ মামলার রায়ে পাঁচ আসামির সবাইকেই মৃত্যুদ- প্রদান করেন। আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করে। উচ্চ আদালত ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর আপিল রায়ে শুধু সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদ- বহাল রেখে বাকি চার আসামির মধ্যে আল আমীন, আকবর আলী ও রফিকুল ইসলামের মৃত্যুদ- কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদ- প্রদান করেন। পলাতক সেলিম চৌধুরীকে খালাস দেন বিচারক। উচ্চ আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর আপিল খারিজ করে দেন। ওই রায়ের ফলে সাইফুলের মৃত্যুদ- এবং তিনজনের যাবজ্জীবন সাজার আদেশ বহাল থাকে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)