ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুল ইসলাম বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম তাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩০২ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাফিন আহমেদ পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮২৯ ভোট। এছাড়া আম প্রতীকে এনপিপি প্রার্থী পেয়েছেন সর্বমোট ২ হাজার ৮৭৬ ভোট। তবে সরকারিভাবে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। এ বিজয়ের ফলে মো. আতিকুল ইসলাম মেয়র পদে প্রয়াত আনিসুল হকের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন। এদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উত্তর সিটির মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং দুই সিটির সম্প্রসারিত ১৮টি করে ৩৬টি ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণ হয়। ডিএসসিসির ১৮টি ওয়ার্ডের ২৩৫টি কেন্দ্র এবং ডিএনসিসির ১২৯৫টি কেন্দ্রে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি এই ওয়ার্ডগুলোতে ১২টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ভোট হয়। ফলে ডিএনসিসির মেয়রের সঙ্গে ৩৬টি ওয়ার্ডে প্রথমবারের মতো ৪৮ জন (সংরক্ষিতসহ) নতুন কাউন্সিলরও নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ডিএনসিসির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার ওসমান গনি মারা যাওয়ায় তার ওয়ার্ডেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই সিটির নির্বাচনী এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায় কোনো প্রকার সহিংসতা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট শেষ হয়। নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি কম ছিল। বিশেষ করে কাউন্সিলর নির্বাচন ঘিরে ভোটারের মধ্যে যতটা উত্সাহ দেখা গেছে, সেই তুলনায় ডিএনসিসির মেয়র পদের উপনির্বাচন নিয়ে আগ্রহ ছিল কম। বেশির ভাগ ভোট কেন্দ্রে আতিকুল ইসলাম ছাড়া অন্য মেয়র প্রার্থীদের এজেন্ট পাওয়া যায়নি। মেয়র পদে বিরোধী দল থেকে শক্তিশালী কোনো প্রার্থী না থাকায় ভোটার আগ্রহে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ক্ষেত্রে বৈরী আবহাওয়াও প্রভাব রাখে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোট উপলক্ষে রাজধানীতে গাড়ি চলাচল ছিল সীমিত।
