ঝড়-শিলা বৃষ্টিতে কয়েক হাজার পাখির মৃত্যু

আপলোড তারিখঃ 2019-02-28 ইং
ঝড়-শিলা বৃষ্টিতে কয়েক হাজার পাখির মৃত্যু ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন: নড়াইলে টানা তিন দিনের শিলা বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একইসঙ্গে কালিয়া উপজেলার অরুনিমা গলফ রিসোর্ট ও ইকো পার্কে কয়েক হাজার দেশি এবং অতিথি পাখি মারা গেছে। গত সোমবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে জেলার ওপর দিয়ে বৃষ্টি হয়। এছাড়া জেলার সীমান্তবর্তী বিছালী, খড়রিয়া, পাঁচগ্রামসহ ৮টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে শিলা বৃষ্টি ও ঝড় বয়ে যায়। ঝড়ে কয়েক’শ গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ে। এতে নড়াইল শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। এদিকে, কৃষি পর্যটনকেন্দ্র অরুনিমা গলফ রিসোর্ট ও ইকো পার্কের সত্ত্বাধিকারী ইরফান আহম্মেদ জানান, ২৫ তারিখ ও ২৬ তারিখ রাতে শিলা বৃষ্টিতে পার্কে আশ্রয় নেওয়া কয়েক হাজার দেশি বক এবং অতিথি পাখি মারা যায়। পরে পার্কে কর্মরত শ্রমিক দিয়ে মারা যাওয়া এ পাখি মাটিতে চাপা দেওয়া হয়। তিনি জানান, ২০০৪ সাল থেকে প্রতি বছর শীত মৌসুমসহ বছরের ৮ মাস বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলতানে মুখরিত হয় এই পার্কটি। এ বছরও মৌসুমের শুরুতেই (অক্টোবরের প্রথম থেকে) অতিথি পাখির কলতানে মুখরিত হয়ে ওঠে রিসোর্টটি। এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন বিকালে বক, হাঁসপাখি, পানকৌড়ী, শালিক, টিয়া, দোয়েল, ময়না, মাছরাঙ্গা, ঘুঁঘু, শ্যামা, কোকিল, টুনটুনি, চড়ুইসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি গাছের ডালে আশ্রয় নেয়। রাত যত গভীর হয় পাখিদের আগমন ততই বাড়তে থাকে। সারারাত পাখির কলতানে মুখরিত থাকে পুরো এলাকা। কিন্তু গত ২দিনের বৈরী আবহাওয়ায় পাখিসহ সবজি ক্ষেতের যে ক্ষতি হয়েছে সেটা অপূরণীয়। এদিকে, জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চিন্ময় রায় জানান, তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও শিলা বৃষ্টিতে খেসাড়ি, মুশুড়ি, গম, পেঁয়াজ, তরমুজসহ বিভিন্ন শাক-সবজির মোটামুটি ক্ষতি হয়েছে। এ বৃষ্টিতে কমপক্ষে ১০ ভাগ ফলন কম হবে হবে বলেও জানান।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)