মিঠুন মাহমুদ:
জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে কোন যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত যাত্রী ছাউনিটি অবৈধ দখলদারদের নিকট থাকায় বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ভেঙ্গে দেয়া হয়। তারপর থেকে এ স্থানে আর যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রী সাধারণকে রোদ-বৃষ্ঠিতে ভিজে পুড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সম্প্রতি গত দুই বছর আগে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের অর্থায়নে জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হলেও নানা জটিলতার কারণে এখনও পর্যন্ত তার কোন কাজ চোখে পড়েনি। উদ্বোধনের দীর্ঘ সময় পার হলেও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের নেই কোন মাথা ব্যাথা। জীবননগর বাজারটি ব্যবসা সমৃদ্ধ বাজার হওয়ায় এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বড় মোকাম হওয়ায় এ বাজারে প্রতিদিন শত শত ব্যবসায়ীর আগমন ঘটে। জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি না থাকায় অপেক্ষমান এসব ব্যবসায়ীকে ফাঁকা স্থানে দাড়িয়ে থাকতে হয়। জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি না থাকায় ব্যবসাদারসহ যাত্রী সাধারণকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বিশেষ করে মহিলা যাত্রীসহ স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের অসুবিধা সবচেয়ে বেশি।
তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, জীবননগর মেইন বাসস্ট্যান্ডে একটি বড় বটগাছ ছিলো, যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য সেটি কেটে ফেলা হয়। তাছাড়া রাস্তার পাশে যে সমস্ত জমি আছে, এটি দখল করে ব্যবসা করে চলেছে কিছু ব্যবসায়ীরা। যার কারনে এখানে যাত্রী ছাউনি তৈরি করতে জমির জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস এন্ড রায় ট্রেডার্সের সাগর বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, যাত্রী ছাউনির টেন্ডার হয়েছে অনেক আগে এবং কাজটি উদ্বোধন হয়েছে গত দুই বছর আগে কিন্তু যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য জমি নির্ধারিত না হওয়ায় যাত্রী ছাউনির কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি খুবই জরুরী। তা ছাড়া যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজের টেন্ডারও হয়েছে কিন্তু জমি জটিলতার কারণে এটির কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এদিকে, সচেতন এলাকাবাসী জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি নির্মাণে সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্ঠি কামনা করেছেন।
