ছবির ক্যাপশন:
গাফিলতির কারণে কেরুজ চিনিকলের তৈরি চিনির ‘লালচে’ আকার ধারণ
দর্শনা অফিস:
দর্শনা কেরু চলতি আখ মাড়াই ও উৎপাদন মৌসুম চলছে হ-জ-ব-র-লভাবে। আখ মাড়াই মৌসুমে ব্যবহৃত উপকরণ ক্রয় নিয়ে হয়েছে চরম দুর্নীতি। ক্যালসিয়াম অক্সইড, সালফার ক্রয় এবং ব্যবহারের রয়েছে চরম অনিয়ম।
গতকাল শুক্রবার ফ্যাক্টারীতে গিয়ে দেখা যায়, ফ্লোরে প্রায় ২৫ টন লালচে চিনি গাঁদা মারা রয়েছে। যার মূল্য ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ঘটনা মিল চালুর শুরু থেকেই ঘটে আসছে বলে শ্রমিরা জানায়। এসব লালচে চিনিগুলো ফ্লোরে ফেলে রাখার ফলে চিনির মান উন্নত হচ্ছে না। এছাড়া রং এর অভাবে চিনির বস্তাগুলোতে কেরু মনোগ্রামের ছাপ দেওয়ার বদলে মার্কার পেন দিয়ে লেখা হচ্ছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফ্লোর থেকে আবার রিফাইন বালতিতে করে ট্যাংকিতে ফেলতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে শ্রমিকরা জানান, ম্যানেজমেন্টের গাফিলতে কেরু চিনিকল ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। শ্রমিক নেতার বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কিছুই বলার নেই। মেয়াদউর্ত্তীন ক্যালসিয়াম অক্সাইড ক্রয় এবং সালফারের সঠিক ব্যবহার না করায় চিনি লালচে হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া মিল দুই এক ঘন্ট বেশি চালাতে হবে এবং শ্রমিকদের বেতন বেশি দিতে হবে বলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রস, গুড় ও চিনি ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়। এমনই নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয় কেরুজ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট জানার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি প্রমোশনের জন্য ঢাকায় গেছে বলে জানা যায়। এমনকি মোবাইল ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি। শ্রমিকরা জানান, ম্যানেজমেন্টে মিল পরিচলনায় উদাসীনতার ও গাফিলতের কারণে প্রতি বছর কেরু চিনিকলের লোকসান হচ্ছে। নানা অনিয়মে দর্শনা কেরু চিনিকল আজ মুখ থুবড়ে পড়ছে বলে জানা যায়।
