ছবির ক্যাপশন:
সম্মিলিতভাবে বিশ্ব ইজতেমা ও তত্ত্বাবধানে প্রশাসন থাকবে ইমামতি ও আখেরি মোনাজাত নিয়ে দ্বিধায় মুরব্বিরা! ডেস্ক রিপোর্ট: সম্মিলিতভাবে বিশ্ব ইজতেমা হবে, তত্ত্বাবধান করবে প্রশাসন এই সিদ্ধান্তে সবাই একমত হলেও অনেক বিষয়ে এখনো দ্বিমত রয়েছে তাবলিগ জামাতের মুরব্বিদের মধ্যে। ইজতেমার ইমামতি ও আখেরি মোনাজাতসহ কিছু বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মুরব্বিরা। এনিয়ে তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা আছেন বেশ দ্বিধায় তাই শিগগিরই তাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করা হবে বলেও জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা, ইজতেমায় আগত বিদেশি অতিথিদের ভিসার ব্যবস্থাসহ অন্যান্য বিষয়ে গতকাল রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও তাবলিগ জামাতের বিবাদমান দু’গ্রুপের শীর্ষ মুরুব্বিরা অংশ নেন। প্রথম দফার বৈঠকে আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে ঐক্যবদ্ধভাবে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনের সিদ্ধান্তে একমত থাকলেও ইজতেমায় কে ইমামতি করবেন, কে আখেরি মোনাজাত করবেন এবং অভ্যন্তরীণ আরও কিছু বিষয়ে তারা একমত হতে পারেননি। ফলে দ্বিতীয় দফায় বিকালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ফের দু’পক্ষের শীর্ষ কয়েকজন মুরুব্বি বৈঠকে বসেন। প্রায় দু’ঘণ্টার ওই বৈঠকেও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তারা। বৈঠক শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছু বিষয়ে এখনও মতভিন্নতা রয়েছে। সেজন্য শিগগিরই তাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করা হবে। ওই বৈঠকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’ এর আগে দুপুরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাবলিগ জামাতের মধ্যে দুটি বিবাদমান পক্ষ রয়েছে। উভয়পক্ষই ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সবাই মিলে একসঙ্গে ইজতেমার আয়োজন করবেন। এ বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ইজতেমার অনেক খুঁটিনাটি বিষয় রয়েছে, সেগুলো কিভাবে সম্পন্ন করা যায়, কিভাবে শেষ করা যায় সে আলোচনা চলছে।’ তাবলিগ জামাতের দু’পক্ষের শীর্ষ মুরুব্বিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা যোবায়ের, মাওলানা ওমর ফারুক, সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ও খান সাহাবুদ্দিন নাসিমসহ প্রমূখ।
