ছবির ক্যাপশন:
থানায় মামলা : প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
জীবননগর অফিস: জীবননগর থানায় দায়ের করা জয়ার মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টার সময় জীবননগর প্রেসক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলন করেন জীবননগর পৌর ৪নং ওয়ার্ড মহানগর দক্ষিণপাড়ার শরিফ উদ্দিনের ছেলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের সভাপতি ও জীবননগর পৌর যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক সামিউল ইসলাম অভি।
লিখিত বক্তব্যে সামিউল ইসলাম অভি বলেন, আমি গত রবিবার বিকাল ৩টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তালহা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের নিধিকু-ু গ্রামের সাইদুর রহমানের যমজ প্রতিবন্ধী দুই মেয়ে হাসি ও খুশির মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। যা স্থানীয় ও জাতীয় একাধিক দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানটি আমি ফেসবুকে লাইভে ৩.৪৫ থেকে ১ ঘন্টাব্যাপী সরাসরি প্রচার করি। অনুষ্ঠান শেষ করে আমি এবং পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাজীপাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে সুজন মাইটিভির ক্রাইম রিপোর্টার এস কে লিটনের সাথী অটোরাইচ মিলে মাছের খাবার ক্রয়ের জন্য রাত ৮টা পর্যন্ত অবস্থান করি। যা মিলের নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে প্রমাণ পাওয়া যাবে এবং খাবার ক্রয় করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসি। ২১ জানুয়ারী রাজশাহী জেলার মতিহার থানার নওদাপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে সুফিয়া আক্তার জয়া (২৭) জীবননগর থানায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মামলা দায়ের করে।
যাতে বাদি উল্লেখ করেছে যে, তাকে গত রবিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় পদ্মাগঙ্গার ধারে নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। উক্ত মামলায় জীবননগর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াসিম রাজা ও সুজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমাকে সমাজে হেয়প্রতিপন্নসহ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ও আমার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের সুনাম ক্ষুন্ন করার হীন মানষে জীবননগরের কতিপয় এক কালোবাজারী ব্যবসায়ীর যোগসাজসে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আমাকে উক্ত মামলায় জড়ানো হয়েছে। ‘আমি জয়া খাতুনকে কখনো দেখিনি বা আমার সাথে তার কখনো পরিচয় হয়নি। পরে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি জয়া খাতুন সুন্দরী ও রুপবতী হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকের মাধ্যমে সহজ সরল ছেলেদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে সর্বশান্ত করে দেয়।
সম্প্রতি গোপালগঞ্জে এক যুবকের সাথে বিয়ের নাটক সাজিয়ে তার নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করেছে। তা ছাড়া সে একজন চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী তার নামে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার মামলা নং-২৫, তারিখ ২৩-১-২০১৮ইং ধারা ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ১৯(১)এর ৩(খ) ধারায় মামলা চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াসিম রাজা, জীবননগর ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান, কামরুল হোসেন রাঙ্গা, আরিফ হোসেন, সুজন ও রিয়াদ।
