ছবির ক্যাপশন:
জাহিদ বাবু/মিঠুন মাহমুদ: জীবননগর উপজেলায় ব্যাপকহারে বিভিন্ন জাতের আলু চাষ করেছেন কৃষকরা। গতবারের তুলনায় এ বছর বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। দেশী জাতের আলু ছাড়াও কৃষকরা হাইব্রিড জাতের কার্ডিনাল, ডায়মন্ড এবং গ্র্যানোলা জাতের আলু বেশি চাষ করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ইতোমধ্যেই বেশ কিছু কৃষক জমি থেকে আলু তুলতে শুরু করেছে। জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামের আলু চাষী জসিম উদ্দিন জানান, অন্যান্য ফসলের চেয়ে আলু চাষ অত্যন্ত লাভজনক চাষ। গত বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় এবার আলু চাষীরা আলু চাষ করে লাভবান হবে। তাছাড়া এবার এলাকাতেই আলু সংরক্ষনের জন্য হিমাগার স্থাপন হয়েছে। অল্প খরচেই আলু হিমাগারে রাখা যাবে। একই উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের মিনাজপুর গ্রামের আলু চাষী ফজলু একই কথা বলেন। তিনি হিমাগার ছাড়াই বাড়িতে আলু সংরক্ষনের পদ্ধতি বর্ণনা করে বলেন, জমি থেকে উত্তোলনকৃত আলু তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা ও বায়ু চলাচল করে এমন শুষ্কস্থানে সংরক্ষণ করতে হবে। দেশীয় পদ্ধতিতে ৬ থেকে ৭ মাস সংরক্ষন করা যায়। জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আলী জানান, চলতি মৌসুমে এবার আশানুরুপ জমিতে আলু চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকে কৃষকদের সার্বিকভাবে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
